করোনা আতঙ্কের মাঝেই অনুশীলনে ফিরল বায়ার্ন

উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মাঝেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে দেশটির সফলতম ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ।
bayern
ফাইল ছবি: বায়ার্ন মিউনিখ টুইটার

জার্মানিতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ আকারে। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার হিসাবে তারা আছে বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে। প্রতিদিনই ব্যাপকভাবে বাড়ছে ভাইরাসের সংক্রমণ, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। অথচ এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মাঝেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে দেশটির সফলতম ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ।

সোমবার থেকে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে অনুশীলন চালাবে বাভারিয়ানরা। ক্লাবের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জার্মান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এবং তাদের নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে চলবে অনুশীলন কার্যক্রম।

নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বুন্দেসলিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সোমবার, ৬ এপ্রিল থেকে এফসি বায়ার্ন মিউনিখের মূল দল সাবেনের স্ট্রাসেতে (ক্লাবের নিজস্ব স্পোর্টস সিটি) অনুশীলনে ফিরবে।’

বুন্দেসলিগা কর্তৃপক্ষ এর আগে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাবগুলোকে অনুশীলন না করার নির্দেশনা দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই খেলোয়াড়দের মাঠে ফিরিয়েছে বায়ার্ন।

পছন্দের ক্লাবের প্রিয় ফুটবলারদের অনুশীলন দেখতে ভিড় করতে পারেন ভক্ত-সমর্থকরা। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এমন কিছু ডেকে আনতে পারে আরও ভয়াবহতা। তাই ফুটবলপ্রেমীদের অনুশীলন মাঠ থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ক্লাবটি বলেছে, ‘জনসাধারণের অনুপস্থিতিতে অনুশীলন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।’

গেল ১৩ মার্চ বুন্দেসলিগা কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছিল যে, ২ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রাখা হবে লিগের ম্যাচগুলো। বিপর্যস্ত অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় সেই স্থগিতাদেশের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। গেল ৩১ মার্চ ক্লাবগুলোর এক সভা শেষে অন্তত আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লিগ স্থগিত রাখার নতুন সিদ্ধান্ত এসেছে।

উল্লেখ্য, জার্মানিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেছে এক লাখ। এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ রোগে মারা গেছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। আরও প্রায় চার হাজার রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Comments

The Daily Star  | English

Battery-run rickshaw drivers set fire to police box in Kalshi

Battery-run rickshaw drivers set fire to a police box in the Kalshi area this evening following a clash with law enforcers in Mirpur-10 area

43m ago