শীর্ষ খবর

কুসংস্কার নয়, সরকারের ব্যর্থতায় পাহাড়ে হামের প্রাদুর্ভাব: ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ

পার্বত্য চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাবের জন্য খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কুসংস্কারকে দায়ী করেছেন। বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে শিশুদের মৃত্যুর জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে।
প্রত্যন্ত এলাকা রতি চন্দ্র কারবারি ত্রিপুরা পাড়ার হাম আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাচ্ছেন বাবা। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাবের জন্য খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কুসংস্কারকে দায়ী করেছেন। বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে শিশুদের মৃত্যুর জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস ও সিভিল সার্জন ডা. নূপুর কান্তি দাশ। তারা পার্বত্য জেলায় হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ হিসেবে ‘কুসংস্কার’কে দায়ী করেন।

ত্রিপুরা নেতা ও লেখক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছেন, ‘কুসংস্কার নয় বরং তাদের ব্যর্থতার কারণেই পার্বত্য এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব।’

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ আজ বুধবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, জেলার দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।

ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ আরও বলেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছায় না। টিকাদান কর্মসূচীর লোকজন এই গ্রামগুলোতে যান না। পার্বত্য জেলায় হামের প্রাদুর্ভাবের এটাই প্রধান কারণ। জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

তাদের ওই বক্তব্য প্রত্যাহার, মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশে এখনও হামে শিশু মরে পাহাড়ে

Comments