ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কচুবাড়িতে ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন দেশে চলমান সাধারণ ছুটিতে কাজ হারানো শতাধিক শ্রমজীবী মানুষ।
ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে কাজ হারানো শ্রমজীবীদের বিক্ষোভ। ছবি: স্টার

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কচুবাড়িতে ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন দেশে চলমান সাধারণ ছুটিতে কাজ হারানো শতাধিক শ্রমজীবী মানুষ।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বিক্ষোভে সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ি এলাকার শতাধিক কর্মহীন মানুষ ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রাণের আশ্বাস দেওয়ার পর বিক্ষুব্ধ শ্রমজীবীরা বাড়ি ফিরে যান।

বিক্ষোভ করা শ্রমজীবীদের অভিযোগ, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই দিনমজুরের কাজ করেন। কিন্তু, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ হারিয়ে নিরন্ন অবস্থায় থাকলেও সরকারি-বেসরকারি কোনো সাহায্য তাদের কাছে এখনো পৌঁছায়নি। 

দিনমজুর ভবেশ চন্দ্র বর্মণ জানান, গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে তিনি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। কয়েকদিন ধার-বাকিতে দিনযাপন করলেও এখন আর চলার উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না। পরিবার নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে।

ভ্যানচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভ্যান চলাতে না পারায় খুব অসুবিধায় পড়ে গেছি। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আয়-রোজগার বন্ধ। হাতে সামান্য জমানো টাকা শেষ করে ইতোমধ্যে ধারদেনাও হয়ে গেছে। এখন আর চলার উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। এ দিকে, ত্রাণ বিতরণের কথা শুনলেও এখনো পর্যন্ত আমাদের এলাকায় কেউ খাদ্য সাহায্য দিতে আসেনি। খুব নিরুপায় হয়েই এলাকার মানুষ রাস্তায় নেমেছে।’

আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নে ১ হাজার ৫৮৪ জনের একটি তালিকা তৈরি করে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছি। প্রতিদিনই ত্রাণ প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব মানুষের মাঝেও দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে যাবে।’

ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই এলাকায় কর্মহীন দিনমজুর শ্রমিক ও দুস্থদের সবাইকে ক্রমান্বয়ে সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের করা তালিকায় কেউ বাদ পড়লেও আমাদের কাছে জানালে তাদেরও ত্রাণ সরবরাহ করা হবে।’

Comments

The Daily Star  | English

Cyclones in Bangladesh: Fewer but fiercer since the 90s

Though the number of cyclones in general has come down in Bangladesh over the years, the intensity of the cyclones has increased, meaning the number of super cyclones has gone up, posing a greater threat to people in coastal areas, a recent study found

38m ago