গুজব ছড়িয়ে এক পরিবারকে অবরুদ্ধের অভিযোগ

‘নারায়ণগঞ্জ থেকে লোক এসেছে’- স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর এলাকার একটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এতে আতঙ্কের পাশাপাশি খাবার সংকটে পড়েছে পরিবারটি।

‘নারায়ণগঞ্জ থেকে লোক এসেছে’- স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর এলাকার একটি বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এতে আতঙ্কের পাশাপাশি খাবার সংকটে পড়েছে পরিবারটি। 

তবে ওই বাড়ির সদস্যদের দাবি, নারায়ণগঞ্জ থেকে কেউ ওই বাড়িতে যাননি।

অবরুদ্ধ হয়ে পড়া পরিবারের এক সদস্য জানান, ‘বাড়িতে তার শ্যালক আসার পর স্থানীয় ছেলেরা সে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছে বলে খবর ছড়িয়ে দেয়। মসজিদের মাইকেও তা প্রচার করা হয়। এরপরই স্থানীয় কাউন্সিলর পুলিশ নিয়ে এসে বাড়িটি লকডাউন করেন। ‘

তিনি জানান, এই অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে আইনজীবীর কাছে সহায়তা চেয়েছেন তার শ্যালক।

আটকা পড়া ওই যুবকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, শুক্রবার বিকেলে বোনের বাড়িতে আসার পর স্থানীয় কিছু ছেলে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছে বলে খবর ছড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, ‘অথচ নারায়ণগঞ্জের সাথে আমার কোনো সম্পর্কই নেই। আমি আখাউড়াতেই ছিলাম। কিন্তু কেউ শুনছে না এসব। ৫০-৬০ জন লোক আমার বোনের বাড়ি ঘিরে অবস্থান নেয়। রাত ১০টায় স্থানীয় কাউন্সিলর মন্তাজ মিয়া পুলিশ নিয়ে সেখানে আসেন। বাড়ি লকডাউন করে দেন। আমিসহ আমার বোনের পরিবারের ৯ জন সদস্য এখন ঘরবন্দি। বাড়িতে লাল পতাকাও টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে।’ 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গেলে তারা বাইরের কেউ আসেনি বলে জানায়। পরে বহিরাগত ওই যুবককে খুঁজে পাওয়ার পর রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়। খাবার সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই বাড়িতে গ্যাস নেই জানার পর স্থানীয় কাউন্সিলর ওই বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার পাঠিয়েছেন।

 

Comments

The Daily Star  | English

MV Abdullah berths at UAE port

The hostage Bangladeshi ship MV Abdullah that was released by the Somali pirates on April 14 berthed at a jetty of the UAE port of Al Hamriyah, at 10:00pm (Bangladesh time) today

41m ago