শীর্ষ খবর

মাশরাফির জীবাণুনাশক কক্ষ, উপকৃত হচ্ছেন নড়াইলবাসী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নড়াইল সদর হাসপাতালে সংসদ সদস্য ও ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজার তৈরি করা জীবানুণাশক কক্ষে সেবা নিয়ে উপকৃত হচ্ছেন নড়াইলবাসী।
Mashrafee anti germ room
ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নড়াইল সদর হাসপাতালে সংসদ সদস্য ও ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজার তৈরি করা জীবানুণাশক কক্ষে সেবা নিয়ে উপকৃত হচ্ছেন নড়াইলবাসী।

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আধুনিক ও ব্যয়বহুল জীবানুণাশক পদ্ধতিতে সেবা নিচ্ছেন ডাক্তার, নার্স, রোগী, সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিক, অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

নড়াইল সদর হাসপাতালের প্রবেশমুখে স্থাপিত জীবানুণাশক কক্ষটির ভেতর দিয়েই হাসপাতালে প্রবেশ করছেন ডাক্তার, নার্স থেকে শুরু করে সবাই। কক্ষের ভেতরে ঢুকলে শরীরে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে।

স্ট্রিম বা বাষ্পের মাধ্যমে এই স্প্রে জীবাণু ধ্বংস করে আবার শরীরও ভেজে না। অত্যাধুনিক এমন জীবাণুণাশক পদ্ধতি চালু করায় নড়াইল এক্সপ্রেস-খ্যাত মাশরাফিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে নড়াইলবাসী।

নড়াইল সদর হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা ভ্যানচালক বাতেন শেখ বলেন, ‘হাসপাতালের ভেতরে আগে ঢুকতে গেলে করোনার ভয় লাগতো। এখন ঢুকতে গেলেই মেশিনে জীবাণু মেরে ফেলছে। তাই এখন হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসি। আগে আসতে চাইতাম না। এর জন্যে মাশরাফিকে ধন্যবাদ।’

অ্যাম্বুলেন্সচালক রফিক বলেন, ‘নড়াইল সদর হাসপাতালের প্রবেশমুখে জীবানুণাশক কক্ষটি স্থাপন করা হয়েছে, তাতে আমরা খুব উপকৃত হচ্ছি। তবে, আমাদের কাজ হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া। দেশের অন্য হাসপাতালগুলোর প্রবেশপথে জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপন করা হলে ভালো হয়।’

তবে নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মোমেনের মন্তব্য, ‘যেহেতু করোনাভাইরাস সম্পর্কে তেমন কোনো গবেষণা নেই তাই এই জীবাণুনাশক পদ্ধতি কতটা কাজ করবে তা বুঝতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।’

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল কক্ষটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

Comments