আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট দিয়ে টেনিস ফের শুরুর পরামর্শ জোকোভিচের

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে স্থবির হয়ে আছে সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গন। এমনকি ব্যক্তিগত ইভেন্টের খেলাও। তবে খুব শিগগিরই মাঠে ফের টেনিস বল গড়ানো সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন বর্তমান বিশ্বের সেরা টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ। এ জন্য শুরুতে কোনো সফর নয়, আপাতত কোনো র‍্যাংকিং পয়েন্ট ছাড়া আঞ্চলিকভাবে টেনিস টুর্নামেন্ট চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
djokovic
ছবি: এএফপি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে স্থবির হয়ে আছে সারা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গন। এমনকি ব্যক্তিগত ইভেন্টের খেলাও। তবে খুব শিগগিরই মাঠে ফের টেনিস বল গড়ানো সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন বর্তমান বিশ্বের সেরা তারকা নোভাক জোকোভিচ। এ জন্য শুরুতে কোনো সফর নয়, আপাতত কোনো র‍্যাংকিং পয়েন্ট ছাড়া আঞ্চলিকভাবে টেনিস টুর্নামেন্ট চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

গত মার্চ থেকেই সারা বিশ্বের সব ধরনের টেনিস টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে আছে। ফরাসী ওপেন স্থগিত করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম বাতিলই হয়ে গেছে উইম্বলডন। ভেস্তে গেছে গ্রাস-কোর্টের গোটা টেনিস মৌসুমও। আগামী ১৩ জুলাইয়ের আগে পেশাদার কোনো টেনিস প্রতিযোগিতা গড়াবে না বলেও জানানো হয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা কিছুটা কমেছে। তাতে বাড়ছে আশা। তাই সফরভিত্তিক টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আঞ্চলিক টুর্নামেন্ট চালুর কথা বললেন জোকোভিচ। ইতালিয়ান টেনিস তারকা ফ্যাবিও ফগনিনির সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে লাইভে তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় আঞ্চলিকভাবে প্রাইজমানি ভিত্তিক টুর্নামেন্ট শুরু করা যেতে পারে এবং এটা খুব শিগগিরই শুরু করা দরকার।'

তবে এ মুহূর্তে র‍্যাংকিং পয়েন্ট ছাড়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের পক্ষে জোকোভিচ, 'আমি জানিনা কোয়ারেন্টিনের এ অবস্থায় কি হবে। স্পেন, ইতালি এবং অন্যান্য দেশের হয়তো ভিন্ন পরিকল্পনা আছে (এ থেকে বের হয়ে আসার)। এখন সফর শুরু করা খুব কঠিন কারণ প্রতি সপ্তাহেই আমাদের বিভিন্ন দেশে খেলা থাকে। এ কারণেই আমার মনে হচ্ছে অঞ্চলিকভাবে প্রাইজ মানি দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা যেতে পারে। তবে হয়তো (র‍্যাংকিং) পয়েন্ট ছাড়া হলে ভালো হবে। কারণ এ প্রক্রিয়াটা অনেক জটিল।'

উল্লেখ্য, কদিন আগে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার বিরোধিতা করে সংবাদের শিরোনাম হয়েছে বিশ্বের এক নম্বর তারকা। যদিও এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন আবিস্কারের কোনো সংবাদ মিলেনি। তবে আবিস্কার হলেও ব্যক্তিগতভাবে তিনি তা নেওয়ার বিরোধী এবং কোথাও সফর করতে চাইলে আমাকে ভ্যাকসিন নিতে বাধ্য করা হোক তা তিনি চান না।

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

10h ago