পুড়ে ছাই বান্দরবানের থানচি বাজার

করোনাভাইরাসে দেশব্যাপী লকডাউনের মধ্যেই আজ সোমবার ভোরে বান্দরবানের থানচি বাজার ভস্মীভূত হয়ে গেছে। পুড়ে গেছে প্রায় ২০০ দোকান।
বান্দরবানের থানচি বাজারে আগুন লেগে পুড়ে গেছে প্রায় ২০০ দোকান। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে দেশব্যাপী লকডাউনের মধ্যেই আজ সোমবার ভোরে বান্দরবানের থানচি বাজার ভস্মীভূত হয়ে গেছে। পুড়ে গেছে প্রায় ২০০ দোকান।

মুদি দোকান, কাপড়ের দোকান, ফার্মেসি, হার্ডওয়ার, লাইব্রেরী, হোটেলসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় প্রায় দুশ দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে বলে জানান থানচি উপজেলার চেয়ারম্যান থোয়াই হ্লা মং মারমা।

মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

থানচি বাজারের একটি কাপড়ের দোকানের মালিক মো. ফারুক বলেন, ‘আমার যা কিছু ছিল, সব শেষ। এখন পরিবার চালাব কিভাবে?’

চোখের পানি মুছতে মুছতে তিন সন্তানের জনক অং শোয়ে উ মারমা বলেন, ‘আমি প্রত্যন্ত থানচি থেকে আদা, রসুন আর বাদাম কিনে এই বাজারে বিক্রি করি। আগুনে আমার দোকানে থাকা প্রায় আট লাখ টাকার পণ্য পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।’

থানচি বাজারে থাকা অফিস এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পুড়ে গেছে স্থানীয় সাংবাদিক অনুপম মারমার। তিনি বলেন, ‘আগুন সব ছিনিয়ে নিয়েছে। আমার অফিস এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।’

থানচি উপজেলায় চেয়ারম্যান থোয়াই হ্লা মং মারমা বলেন, ‘থানচিতে ২০১৫ সালে একটি ফায়ার স্টেশন অফিস বানানোর কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, কাজটি এখনও শেষ হয়নি। যদি নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ হতো তাহলে এত বড় ক্ষতি হতো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন লাগলে স্থানীয় সেনা, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা প্রায় দুই ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নেভান। পরে বান্দরবান থেকে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা এসে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।’

Comments

The Daily Star  | English
Dhaka Airport Third Terminal: 3rd terminal to open partially in October

HSIA’s terminal-3 to open in Oct

The much anticipated third terminal of the Dhaka airport is likely to be fully ready for use in October, enhancing the passenger and cargo handling capacity.

10h ago