শিবচরে একই পরিবারের ৩ জনের করোনা শনাক্ত

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় একই পরিবারের তিন জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪১ জনে।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় একই পরিবারের তিন জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪১ জনে।

দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের সিভিল সার্জন মো. শফিকুল ইসলাম।

মাদারীপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকালে জেলার ১০১টি নমুনার ফলাফল এসেছে। এর মধ্যে নতুন করে তিন জনের শরীরে করোনা পজিটিভ এসেছে। আক্রান্ত তিন জনই শিবচর উপজেলার উমেদপুর এলাকার এবং একই পরিবারের সদস্য।

তিনি আরও জানান, ওই পরিবারের এক সদস্য গত ২৭ এপ্রিল করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার জুরাইনের মারা যান। তখন ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওইদিন রাতেই তার লাশ শিবচরের উমেদপুরে নিজ বাড়িতে এনে নমুনা সংগ্রহের বিষয় গোপন রেখে দাফন করা হয়। তাকে বহন করা কফিন বক্সটিও মাটিতে না পুতে বাইরে ফেলে রাখা হয়। মৃত ব্যক্তির মেয়ের দেহেও করোনার উপসর্গ ছিল।

গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে ওই মৃত ব্যক্তির করোনা শনাক্তের খবর শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌঁছালে ওই গ্রামের ২৫টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে প্রশাসন। এ সময় পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় আইডিসিআরে পাঠানো হয়। গতকাল বুধবার বিকেলে ওই পরিবারের তিন সদস্যের কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে।

জেলা সিভিল সার্জন মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা উপসর্গের তথ্য গোপন রেখে মরদেহ দাফন করার কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের সদস্যরা ওই পরিবারের বেশ কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠান। গতকাল হাতে আসা রিপোর্টে এদের মধ্যে তিন জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তাদেরকে বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা করা হবে।’

জেলার মোট করোনা আক্রান্ত ৪২ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১০ জন, শিবচর উপজেলায় ২৩ জন, রাজৈর উপজেলায় সাত জন ও কালকিনি উপজেলায় একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন মোট ২২ জন এবং মারা গেছেন দুজন।

Comments

The Daily Star  | English
irregular migration routes to Europe from Bangladesh

To Europe via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

22h ago