বুন্ডেসলিগা শুরুর আগে বড় ধাক্কা

সব প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। সূচিও চূড়ান্ত। আগামী ১৬ মে থেকে ফের শুরু হওয়ার কথা জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ফুটবল আসর বুন্ডেসলিগা। কিন্তু এর আগে বেশ বড় ধাক্কা খেয়েছি তারা। কারণ দ্বিতীয় বিভাগের দল ডায়নামো ড্রেসডেনের দুই খেলোয়াড়ের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যে কারণে পুরো দলকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে যেতে হয়েছে। এ অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ে লিগ শুরু নিয়ে বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সব প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। সূচিও চূড়ান্ত। আগামী ১৬ মে থেকে ফের শুরু হওয়ার কথা জার্মানির শীর্ষস্থানীয় ফুটবল আসর বুন্ডেসলিগা। কিন্তু এর আগে বেশ বড় ধাক্কা খেয়েছে তারা। কারণ দ্বিতীয় বিভাগের দল ডায়নামো ড্রেসডেনের দুই খেলোয়াড়ের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যে কারণে পুরো দলকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে যেতে হয়েছে।

গত শুক্রবার দলের সকল খেলোয়াড়দের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করায় বুন্ডেসলিগা ২'এর ক্লাব ড্রেসডেন। সেখানে দুইজন নতুন করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়। নিজেদের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, 'পরিস্থিতি বিশ্লেষণের পর, শনিবার ড্রেসডেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কোচিং স্টাফসহ পুরো স্কোয়াডকে এখন ঘরে ১৪ দিনের কোয়ারান্টিনে যেতে হবে। এ কারণে, পরিকল্পনা অনুযায়ী লোয়ার স্যাক্সনিতে খেলতে যেতে পারবে না ক্লাবটি।'

নতুন সূচিতে আগামী শনিবার হ্যানওভার ৯৬ এর সঙ্গে প্রথম ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ড্রেসডেনের। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ম্যাচটি পিছিয়ে দেওয়া কথা বলেছেন জার্মান ফুটবল লিগের (ডিএফএল) প্রধান নির্বাহী ক্রিস্তিয়ান সেইফের্ট, 'আমরা এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে আগেই বলেছিলাম। যেহেতু দলটি ১৪ দিনের কোয়েরেন্টিনে গিয়েছে, তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা এটা পরের সপ্তাহে আলোচনা করবো।'

ফলে নির্দিষ্ট সময়েই বুন্ডেসলিগা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান ডিএফএল প্রধান নির্বাহী, 'এ মুহূর্তে এটা আমাদের সময়সূচিতে প্রভাব ফেলবে না। দ্বিতীয় বিভাগে এখনও ৮১টি ম্যাচ বাকি। ডায়নামো ড্রেসডেনের দুটি ম্যাচ সময়মতো হবে না। কিন্তু এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিগ শেষ করার পরিকল্পনা থেকে আমরা সরে আসছি না।'

করোনাভাইরাসের কারণে গত মার্চের মাঝ থেকে বন্ধ রয়েছে জার্মানির সব ধরনের ফুটবল। সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আগামী শনিবার থেকে ফের লিগ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএফএল। তবে এর আগে সব দলের সকল খেলোয়াড় ও স্টাফদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। দুই বিভাগের ৩৬ দলের মোট ১৭২৪ জনের পরীক্ষা করার পর ১০ জনের পজিটিভ পেয়েছে তারা।

Comments

The Daily Star  | English

Balancing faith and commerce during Ramadan

Effective market management during Ramadan can serve as a model for resolving similar difficulties in the future.

4h ago