খুলনায় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পানের’ প্রভাবে খুলনায় প্রবল ঝড় বয়ে যাচ্ছে। বিকেল চারটার পর থেকেই থেমে থেমে দমকা হাওয়া বইছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় খুলনায় দমকা হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। সেই থেমে থেমে হচ্ছে ভারি বৃষ্টি। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে বাতাসের বেগ।
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে খুলনায় প্রবল ঝড়ো বাতাস। ছবি: স্টার

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পানের’ প্রভাবে খুলনায় প্রবল ঝড় বয়ে যাচ্ছে। বিকেল চারটার পর থেকেই থেমে থেমে দমকা হাওয়া বইছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় খুলনায় দমকা হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। সেই থেমে থেমে হচ্ছে ভারি বৃষ্টি। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে বাতাসের বেগ।

খুলনা আবহাওয়া কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ জানান, ঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বাতাসের বেগ বেড়েছে। সময়ের সঙ্গে বাতাসের বেগ আরও বাড়বে। এখনো পর্যন্ত খুলনায় বাতাসের সর্বোচ্চ বেগ পাওয়া গেছে ১২০ কিলোমিটার। বুধবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পযন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৪১ মিলিমিটার।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কেন্দ্র পশ্চিবঙ্গের সাগরদ্বীপ দিয়ে স্থলভাগে ঢুকছে। সুন্দরবন দিয়ে এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান।

সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে দ্য ডেইলি স্টারকে তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কেন্দ্র বাংলাদেশে প্রবেশের কোনো সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাতক্ষীরা ও খুলনার ওপর দিয়ে ঝড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

আম্পানের প্রভাবে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা হতে শুরু করে খুলনার আকাশ। দুপুর নাগাদ শুরু হয় থেমে থেমে বৃষ্টি। তখন ছিল হালকা বাতাস। বুধবার সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। থেমে থেমে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে নদীতে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়েছে কয়েক ফুট। এ কারণে উপকূলীয় কয়রা উপজেলার অনেক জায়গায় বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। স্থানীয়রা স্বেচ্ছাসেবীরা দিনভর বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা করেছেন। দুপুরের পর ভাটার টানে পানি মেনে যাওয়ার কথা থাকলেও তা যায়নি। ভাটার সময়ও অন্যান্য স্বাভাবিক জোয়ারের মতো নদীতে পানি ছিল। সেই সঙ্গে ছিল উঁচু ঢেউ। এ কারণে নদী পাড়ের মানুষেরা রয়েছেন আতঙ্কে।

Comments

The Daily Star  | English