পিরোজপুরে নমুনা পরীক্ষার ৮.৪৪ শতাংশ পজিটিভ, সুস্থতার হার ১২.৯০

পিরোজপুরে পরীক্ষার জন্য গত ৪ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত পাওয়া ৭৩৫টি নমুনার ফলের মধ্যে ৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সেই হিসাবে, ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশেরই করোনা পজিটিভ এসেছে। জেলা থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১৪৪ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৯টি নমুনার ফল এখনো পাওয়া যায়নি।

পিরোজপুরে পরীক্ষার জন্য গত ৪ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত পাওয়া ৭৩৫টি নমুনার ফলের মধ্যে ৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সেই হিসাবে, ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশেরই করোনা পজিটিভ এসেছে। জেলা থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজার ১৪৪ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৯টি নমুনার ফল এখনো পাওয়া যায়নি।

শনাক্ত ৬২ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন আট জন। সেই হিসাবে, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ১২ দশমিক ৯০ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকী জানান, এখন পর্যন্ত শনাক্ত ৬২ জনের মধ্যে সদর উপজেলার ১৭ জন, ভান্ডারিয়ার ১২ জন, মঠবাড়িয়ার ১১ জন, ইন্দুরকানির ১১ জন, নাজিরপুরের সাত জন, নেছারাবাদের তিন জন ও কাউখালীর একজন। এদের মধ্যে আট জন সুস্থ হয়ে গেছেন। এই আট জনের মধ্যে চার জন ভান্ডারিয়ার, দুই জন সদরের, একজন মঠবাড়িয়ার ও অপরজন কাউখালীর। এ ছাড়া, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় করোনা রোগীর সংস্পর্শে যাওয়া এক নারী গত ১৮ মে মারা যান। নমুনা পরীক্ষার পর জানা গেছে, তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, গত ২৫ মে পিরোজপুর শাখা পূবালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ায় পরের দিন ওই শাখাটি লকডাউন করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন। ব্যাংকের ওই শাখার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কারো করোনা পজিটিভ আসলে ব্যাংকের ওই শাখাটিতে লকডাউনের সময় বাড়ানো হবে। তবে, নতুন করে কারো শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া না গেলে শাখাটির লকডাউন খুলে দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, দেশে করোনার সংক্রমণের শুরুর দিকে পিরোজপুরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও গত ৮ মে থেকে তা দ্রুত বাড়তে থাকে। শনাক্তদের প্রায় সবাই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর থেকে পিরোজপুরে গিয়েছেন। শুধু এক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চার জন পিরোজপুরে থেকেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল প্রথম পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় করোনা আক্রান্ত এক যুবক শনাক্ত হয়। এরপর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়। আইসোলেশনে থাকার ১২ দিন পর সুস্থ হয়ে তিনি বাড়ি ফিরেছেন।

Comments