হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভের সময় বাঙ্কারে ছিলেন ট্রাম্প

গত শুক্রবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হলে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু সময়ের জন্য মাটির নিচে বাঙ্কারে অবস্থান নেন। নিরাপত্তার খাতিরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ও ছেলে ব্যারনকেও সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ দমনে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করছে পুলিশ। ছবি: রয়টার্স

গত শুক্রবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হলে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু সময়ের জন্য মাটির নিচে বাঙ্কারে অবস্থান নেন। নিরাপত্তার খাতিরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ও ছেলে ব্যারনকেও সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

ট্রাম্প ও তার পরিবার প্রায় এক ঘণ্টার মতো বাঙ্কারে ছিলেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন আজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, বাইরের পরিস্থিতি নিয়ে ‘লাল’ সংকেত পেলে, রাষ্ট্রপতিকে সপরিবারে ‘জরুরি অপারেশন সেন্টারে’ নিয়ে যাওয়া হয়।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে পুলিশি নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়ডের মৃত্যুর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার গভীর রাতে হোয়াইট হাউজের কর্মীদেরকে একটি ইমেইলের মাধ্যমে সতর্কতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাদের বলা হয়, সোমবার তারা কাজের জন্য বের হলে হোয়াইট হাউজের বাইরে যেন নিজেদের পাস লুকিয়ে রাখেন।

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউজের বাইরের বিক্ষোভকারীদের সামলানোর জন্য ট্রাম্প পরদিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রশংসা করেন।

একাধিক টুইটের মাধ্যমে ট্রাম্প বাঙ্কারে রেখে তাকে রক্ষার জন্য গোয়েন্দাদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের জন্য তিনি ‘নিরাপদ’ বোধ করছিলেন না। ট্রাম্প অবশ্য সে সময় হোয়াইট হাউজের গেটের ভেতরে কুকুর ও অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের প্রস্তুতি নিতে বলেছিলেন।

ট্রাম্পকে বাঙ্কারে নেওয়ার বিষয়টি নিউইয়র্ক টাইমস প্রথম জানায়। হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার ট্রাম্প নিজেকে নিরাপদ ঘোষণা করেন।

Comments

The Daily Star  | English

'Why haven't my parents come to see me?'

9-year-old keeps asking while being treated at burn institute

16m ago