মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার ‘সামান্য’ উন্নতি, রক্ত জমাট বাঁধছে

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার ‘সামান্য’ উন্নতি হয়েছে। গতকালের তুলনায় আজ তার রক্তচাপ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে এবং রক্ত জমাট বাঁধছে।
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার ‘সামান্য’ উন্নতি হয়েছে। গতকালের তুলনায় আজ তার রক্তচাপ কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে এবং রক্ত জমাট বাঁধছে।

আজ শুক্রবার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিউরোসার্জন ডা. রাজিউল হক দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা গতকালের তুলনায় আজকে তার স্বাস্থ্যের অবস্থার কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। তার রক্তচাপ আজ স্থিতিশীল আছে।’

মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসা নিয়ে আগামীকাল সকাল ৮টায় একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে বলে জানান ডা. রাজিউল।

১৩ সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বে ওই বৈঠকে নাসিমের চিকিত্সার পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এরআগে, গতকাল দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে আলাপকালে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসিমের শারীরিক অবস্থার ‘অবনতি’র কথা জানিয়েছিলেন ডা. রাজিউল। তিনি বলেছিলেন, ‘মোহাম্মদ নাসিম এখনও অত্যন্ত ‘জটিল অবস্থা’র মধ্যে আছেন।’

তবে আজ তিনি জানান, বুধবারের পর থেকে গত দু’দিনের তুলনায় আজকে মোহাম্মদ নাসিমের রক্তচাপ কিছুটা স্থিতিশীল আছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তার রক্তচাপ ওঠানামা করছিল, রক্ত জমাট বাঁধছিল না।

উন্নত চিকিৎসার জন্য নাসিমকে বিদেশে পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে ডা. রাজিউল বলেন, ‘বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় তিনি নেই।’

গত ৫ জুন করোনা আক্রান্ত ও স্ট্রোকের পর থেকে ‘ডিপ কোমায়’ আছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তখন মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, স্ট্রোকের পরে তার বাবার সার্জারি সফল হয়েছে।

গত ১ জুন রক্তচাপজনিত সমস্যা রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তার করোনা শনাক্ত হয়। এরপরে দু’বার তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে বলে জানান বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

Comments