করোনাভাইরাস

বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা কোটি ছাড়াল, মৃত্যু প্রায় ৫ লাখ

বিশ্বব্যাপী নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। ইতোমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন প্রায় ৫ লাখ মানুষ। এ ছাড়া, সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৫১ লাখ।
জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের তথ্য।

বিশ্বব্যাপী নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। ইতোমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন প্রায় ৫ লাখ মানুষ। এ ছাড়া, সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৫১ লাখ।

আজ রোববার জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এক কোটি এক হাজার ৫২৭ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৯৯ হাজার ১২৪ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ৫০ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬৮ জন।

একবিংশ শতাব্দীতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় মহামারি কোভিড-১৯। এখন পর্যন্ত বিশ্বে ভাইরাসটির সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। প্রায় আড়াই মাসের মধ্যে গত ৩ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়ায়। এর দেড় মাসের মধ্যেই আরও ৪০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়ে গত ২১ মে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়ায়। এরপরের ৩৭ দিনে আক্রান্ত হয় আরও ৫০ লাখের বেশি মানুষ। যা নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছাড়াল।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ লাখ ১০ হাজার ৩২৩ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৯ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩০৮ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ১৩ হাজার ৬৬৭ জন, মারা গেছেন ৫৭ হাজার ৭০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ২৭ হাজার ৭১৫ জন।

মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে তৃতীয়তে রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৫৯৮ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ১১ হাজার ৭২৭ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৪ জন।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৫৯ জন, মারা গেছেন ১৬ হাজার ৯৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৯ হাজার ৭১৩ জন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে রাশিয়া, পেরু ও চিলিতেও। রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪২ জন এবং মারা গেছেন ৯ হাজার ৬০ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৩১১ জন। পেরুতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৯ জন এবং মারা গেছেন ৯ হাজার ১৩৫ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ জন। চিলিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৭৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৫ হাজার ৩৪৭ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫ জন।

ইউরোপের দেশ স্পেনে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৯ জন, মারা গেছেন ২৮ হাজার ৩৪১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৩৭৬ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ১৩৬ জন, মারা গেছেন ৩৪ হাজার ৭১৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৮৪ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৩ জন, মারা গেছেন ২৯ হাজার ৭৮১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৭৩ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯৩ জন, মারা গেছেন ৮ হাজার ৯৬৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৮ জন।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ১৮০ জন, মারা গেছেন ১০ হাজার ৩৬৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৬১ জন। তুরস্কে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮৩ জন, মারা গেছেন ৫ হাজার ৮২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৮২ জন।

ভাইরাসটির সংক্রমণস্থল চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ হাজার ৭৪৩ জন, মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৪১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭৯ হাজার ৫৯১ জন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মারা গেছেন ১ হাজার ৭৩৮ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৫৫ হাজার ৭২৭ জন।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

7h ago