‘যমুনার ভাঙনে ঘর হারানো মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার’

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙনে ঘর হারানো মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।
ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। ছবি: স্টার

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙনে ঘর হারানো মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বেলটিয়া গ্রামে নদী ভাঙনে ঘর হারানো মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে ড্রেজিংয়ের বালি দিয়ে ভরাট করে যার যেখানে ঘর-বাড়ি ছিল সেখানেই তাদের ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে।’

উপমন্ত্রী নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবারের প্রতিটিকে নগদ ১০ হাজার টাকা ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকরা ভাঙনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের গাফিলতির অভিযোগ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সাংবাদিকদের মন্ত্রী জানান, টাঙ্গাইল জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬১০ কোটি টাকার কিছু প্রকল্প চলমান আছে। এ ছাড়াও, সারদেশে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার অসহায় মানুষের পাশে সবসময় আছে।

গত ৪ জুলাই যমুনার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ের দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে বেলটিয়া গ্রামে নতুন নির্মিত একটি গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। ফলে, ওই রাতেই ২৩ এবং পরবর্তীতে আরও ১৪ বাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

ভাঙন কবলিত পরিদর্শনকালে উপমন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমান খান, জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা নীপা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Comments