বিশ্বে করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফাম

বর্তমানে সারাবিশ্বের আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। কিন্তু, দারিদ্রতা ও ক্ষুধা তার চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অক্সফাম। সংস্থাটির দাবি, বিষয়টিকে এখনই গুরুত্ব দেওয়া না হলে বিশ্বে করোনা মহামারির চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে খাদ্যের অভাবে বা অনাহারে।
ছবি: রয়টার্স

বর্তমানে সারাবিশ্বের আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। কিন্তু, দারিদ্রতা ও ক্ষুধা তার চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অক্সফাম। সংস্থাটির দাবি, বিষয়টিকে এখনই গুরুত্ব দেওয়া না হলে বিশ্বে করোনা মহামারির চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে খাদ্যের অভাবে বা অনাহারে।

গতকাল দ্য গার্ডিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে অনেক দেশের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জনগণের চলাচলের উপরেও জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এতে, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল অবস্থানে থাকা দেশে খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের আয় কমে গেছে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইয়েমেনে ইতোমধ্যে মানবিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশটির দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ চরম দারিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছেন। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

আফগানিস্তানের পরিস্থিতিও ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে। দেশটিতে নতুন করে আরও ১০ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে বলে অক্সফামের রিপোর্টে বলা হয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের ২৫ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে ছিলেন। চলতি বছরের মে মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৫ লাখ।

গত এপ্রিলে প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দশ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে। কিন্তু, করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট সংকটের কারণে অনাহারে প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে অক্সফামের রিপোর্টে আশঙ্কা করা হয়েছে।

আফগানিস্তান এবং ইয়েমেন ছাড়াও গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, ভেনেজুয়েলা, পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল, ইথিওপিয়া, সুদান, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া এবং হাইতির মতো দেশ বর্তমানে চূড়ান্ত দরিদ্রসীমার নিচে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে অক্সফাম।

Comments

The Daily Star  | English

Banking sector abused by oligarchs: CPD

Oligarchs are using banks to achieve their goals, harming good governance, transparency, and accountability in the financial sector, said economists and experts yesterday.

1h ago