রোনালদোর পর স্বদেশী ব্রুনো ফের্নান্দেজই প্রথম

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে আবারও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মাস সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ব্রুনো ফের্নান্দেজ। শুক্রবার জুন মাসের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার হাতে তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। ইউনাইটেডের হয়ে এর আগে ২০০৬ সালে স্বদেশী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো টানা দুই বার ইংলিশ লিগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন।
ছবি: এএফপি

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে আবারও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মাস সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা ব্রুনো ফের্নান্দেজ। শুক্রবার জুন মাসের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার হাতে তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। ইউনাইটেডের হয়ে এর আগে ২০০৬ সালে স্বদেশী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো টানা দুই বার ইংলিশ লিগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন।

ম্যানচেস্টারে যোগ দেওয়ার পর ফেব্রুয়ারি মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সী ফের্নাদেজ। মার্চের শুরুতেই করোনাভাইরাসের কারণে লিগ সহ ইংল্যান্ডের সব ধরণের ফুটবল স্থগিত হয়ে যায়। এরপর গত মাসে ফের ফুটবল মাঠে গড়ায়। তাই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী টানা দুই মাস না হলেও ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী টানা দ্বিতীয় মাসের সেরা হন এ পর্তুগিজ তারকা। মাঝে ১৪ বছরে ইউনাইটেডে অনেক খেলোয়াড় খেললেও ফের এ কীর্তি গড়লেন রোনালদোর স্বদেশীই।

তবে ইংলিশ লিগে টানা দ্বিতীয় মাসে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার তালিকায় ইংলিশ লিগে ফের্নাদেজ সপ্তম। এর আগে স্বদেশী রোনালদো ছাড়া এ কীর্তি গড়েছেন মোহেমেদ সালাহ, জেমি ভার্ডি, হ্যারি কেইন, ডেনিশ বার্গক্যাম্প ও রবি ফ্লওয়ার। 

চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্পোর্টিং লিসবন থেকে ৬৮ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ইংলিশ ক্লাবটিতে নাম লেখান ফের্নান্দেজ। আর যোগ দেওয়ার পর থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা তার ছোঁয়ায় বদলে গেছে ইংলিশ লিগে ধুঁকতে থাকা ইউনাইটেড। এরপর এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচ হারেনি দলটি। ইংলিশ লিগে তার অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ১৩টি গোলে সরাসরি অবদান রয়েছে তার। 

মাঝে করোনাভাইরাসের কারণে বিরতিতে শঙ্কা ছন্দ ধরে রাখা নিয়ে। কিন্তু বিরতির পরও চেনা ছন্দেই আছেন ফের্নান্দেজ। বিরতি শেষে ৫টি গোলের পাশাপাশি তিনটি গোলে সহায়তা করেছেন ফের্নাদেজ। এছাড়া ১২টি দারুণ সুযোগও তৈরি করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার এস্টন ভিলাকে ৩-০ গোলের হারিয়ে ইংলিশ লিগের ইতিহাসে প্রথম ক্লাব হিসেবে টানা চারটি ম্যাচে তিন গোল কিংবা তার বেশি ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড গড়ে।

Comments

The Daily Star  | English