কোচের সঙ্গে জরুরী সভায় বসছেন বার্সা সভাপতি!

একে তো ঘরের মাঠ। তার উপর প্রতিপক্ষ খুব বেশি শক্তিশালী নয়। কিন্তু ম্যাচের ফলাফল এলো উল্টো। ওসাসুনার বিপক্ষে পেরে উঠল না বার্সেলোনা। ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা স্বাদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। এমন ম্যাচের পর স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কোচ কিকে সেতিয়েন। দুশ্চিন্তা কম নেই ক্লাব সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউরও। শিগগিরই তারা জরুরী সভায় বসছেন! এমনটাই জানিয়েছে স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্দো দিপার্তিভো।
ফাইল ছবি: এএফপি

একে তো ঘরের মাঠ। তার উপর প্রতিপক্ষ খুব বেশি শক্তিশালী নয়। কিন্তু ম্যাচের ফলাফল এলো উল্টো। ওসাসুনার বিপক্ষে পেরে উঠল না বার্সেলোনা। ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা স্বাদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। এমন ম্যাচের পর স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় কোচ কিকে সেতিয়েন। দুশ্চিন্তা কম নেই ক্লাব সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তেমেউরও। শিগগিরই তারা জরুরী সভায় বসছেন! এমনটাই জানিয়েছে স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্দো দিপার্তিভো।

আগের দিন ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে জয় তুলে আগের দিন লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধারের আনন্দে মেতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সে ম্যাচে হারলেও ক্ষতি ছিল না দলটির। কারণ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ঘরের মাঠে ওসাসুনার কাছেই হেরে গেছে। শিরোপা হারানোর পাশাপাশি এমন পরাজয়ে রীতিমতো বিধ্বস্ত কাতালানরা। তাতে শঙ্কা জেগেছে কোচের চাকুরী নিয়েও। স্বয়ং সেতিয়েনই নিশ্চিত নন, বার্সার পরবর্তী ম্যাচে ডাগআউটে তিনি থাকবেন কি-না।

তবে লিগ শিরোপা থেকে অনেক আগেই পথ হারিয়েছে বার্সেলোনা। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বিরতি থেকে ফিরে মাঝে চার ম্যাচে তিনটি ড্র করেই এক প্রকার শিরোপা হাতছাড়া করে ফেলে বার্সা। তাই আগের দিনের পরাজয়ে বড় কোনো প্রত্যাশা থেকে সরে আসেনি দলটি। তবে সংবাদে অবশ্য বলা হয়েছে ওসাসুনার কাছে হারের পর কোচের মানসিক অবস্থা কেমন সেটা জানতেই এ জরুরী সভা। এছাড়া এ আলোচনায় নিশ্চিত হতে পারে আগামী ৮ আগস্ট নাপোলির বিপক্ষে ম্যাচে থাকছেন কি-না সেতিয়েন।

এদিকে আগের দিন ম্যাচ হারার পর ক্লাবের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। যে ধারায় দলটি ফুটবল খেলছে এমনটা খেললে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নাপোলির কাছেও হারবেন বলে মনে করেন তিনি। যে কারণে দলে বড় পরিবর্তন চান তিনি। কে জানে হয়তো সেতিয়েনের ছাঁটাইয়ের মাধ্যমেই হয়তো পরিবর্তনের হাওয়াটা লাগতে পারে বার্সায়।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago