গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের দাবি এমজেএফের

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও তাদের পাওনা সুবিধা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাটি।

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও তাদের পাওনা সুবিধা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাটি।

এমজেএফ আজ এক বিবৃতিতে বলেছে, রাজধানীর রূপনগর এলাকার ১০ বছরের গৃহকর্মী আছিয়াই নির্মম নির্যাতনের একমাত্র শিকার নয়, এরকম নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনা একটার পর একটা ঘটেই চলেছে।

এমজেএফের চলতি বছরের ‘শিশু সংক্রান্ত প্রতিবেদন ২০১৯: সংবাদপত্রের পাতা থেকে’ রিপোর্টে ১৪ জন শিশু গৃহকর্মীর নির্যাতনের কথা উঠে এসেছে। আটটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি ওই প্রতিবেদনে ১২ জন মেয়ে শিশু, এক জন ছেলে শিশুর নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরা হয়। ছেলে বা মেয়ে উল্লেখ করা হয়নি এক জন শিশুর ক্ষেত্রে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট ২২ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়ে নিহত হয়েছেন ১০ জন। ১৩ থেকে ১৮ বছরের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে। এরপর আছে সাত থেকে ১২ বছরের শিশুরা। এসব ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, আত্মহত্যা ও শারীরিক নির্যাতনের পরে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। (সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র)

উল্লেখ্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা অনুযায়ী গৃহকর্মীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার, বেতন-ভাতা ঠিকমতো পরিশোধ, নির্যাতন না করা, শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা বিধান করা, ভরন-পোষণ, ছুটি ও প্রণোদনাসহ আরও সুবিধাদির কথা স্পষ্ট করে বলা আছে। সরকারের সঙ্গে এই নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করেছে এমজেএফ। দ্রুত এই নীতিমালা থেকে আইন প্রণয়নের জন্য দাবি জানাচ্ছে এমজেএফ।

Comments