নোয়াখালীতে নিখোঁজের ১০ দিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১০ দিন পর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

নিখোঁজের ১০ দিন পর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের একটি বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নারীর নাম পরানী বেগম (৪০)। তিনি নরোত্তমপুর গ্রামের আক্কাস আলীর সাবেক স্ত্রী।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহে পঁচন ধরে যাওয়া শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা তা শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা পরানী বেগম গত ১২ জুলাই রাতে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার মেয়ে মুক্তা বেগম ১৩ জুলাই বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন।

থানায় দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা যায়, মুক্তা বেগম ১২ জুলাই রাতে খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় ঘর থেকে বের হয়ে পরানী বেগম নিখোঁজ হন। সকালে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করে তার সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজ ডায়রি করা হয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, ‘আজ সকলে নরোত্তমপুর গ্রামের ইউছুফ নামের এক কৃষক গ্রামের বিলে গরুর ঘাস কাটতে যান। এ সময় পঁচা দুর্গন্ধ পেয়ে সামনে এগিয়ে গিয়ে পরানী বেগমের মৃত দেহ দেখে থানা ও তার পরিবারকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি পরানী বেগম সুদ ও দাদন ব্যবসা করতেন। ধারনা করা হচ্ছে টাকা লেনদেন  নিয়ে দ্বন্দের কারনে তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন।’

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘তিনি এলাকায় সুদের ব্যবসা করতেন। ওই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তিনি খুন হতে পারেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে। এ নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। খুব শিগগির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছেন।’

Comments