ফিট থাকলে খেলে যাওয়া উচিত ধোনির, মনে করেন গম্ভির

সাবেক ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভির মনে করেন, মহেন্দ্র সিং ধোনি যদি নিজেকে ফিট মনে করেন, ফর্মে থাকেন এবং খেলাটা উপভোগ করেন, তাহলে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে যাওয়া উচিত। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন গম্ভির।
ফাইল ছবি: এএফপি

সাবেক ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভির মনে করেন, মহেন্দ্র সিং ধোনি যদি নিজেকে ফিট মনে করেন, ফর্মে থাকেন এবং খেলাটা উপভোগ করেন, তাহলে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে যাওয়া উচিত। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন গম্ভির।

গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে ভারতের বাদ পড়ার পর আর কোনো ক্রিকেট খেলেননি ধোনি। এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ক্রিকেট থেকে দূরে আছেন। জুলাই সাত তারিখে এই ভারতীয় তারকা ৩৯ বছর বয়সে পা রাখেন।

বহু ম্যাচে ধোনির সাথে খেলেছেন গম্ভির। আইপিএলেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরস্পরকে মোকাবেলা করেছেন। ফলে ক্রিকেটার ধোনিকে ভালোই করেই চেনেন গম্ভির, 'বয়স কেবলই একটি মাত্র সংখ্যা। আপনি যদি ফিট থাকেন এবং বলটা ঠিক মতো মাঠের বাইরে পাঠাতে পারেন, তাহলে এটা কোনো ব্যাপারই নয়। ধোনি যদি মনে করেন ছয় বা সাত নম্বরে খেলার জন্য তিনি ফিট আছেন, তাহলে তার খেলে যাওয়া উচিত।'

২০০৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ভারতীয় দলকে সীমিত ওভারে নেতৃত্ব দেন ধোনি। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটেও তিনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। এই সময়ে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে আইসিসির সব রকম আসরের শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি।

ভারতের সর্বোচ্চ সফল অধিনায়ককে অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়াটা তাই পছন্দ নয় গম্ভিরের, 'বিশেষজ্ঞরা বয়স বেশি হওয়ার কারণে ধোনিকে নানা রকম কথা বলবে, তাকে অবসর নেওয়ার পরামর্শ দিবে। কিন্তু কারো আসলে কাউকে অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া উচিত নয়। এটি একেবারেই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।'

ধোনির নেতৃত্বে ২০০৭ সালে ইতিহাসের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারত। এরপর ২০১১ সালে ভারত তার নেতৃত্বে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতে। এরপর ২০১৩ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও ধোনির নেতৃত্বেই ঘরে তুলে ভারতীয়রা।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

7h ago