আইসিসির কাছে বোলারদের ন্যায্যতা চাইলেন অশ্বিন

গত আইপিএলে জস বাটলারকে ক্রিকেটীয় নিয়ম মেনে আউট করেই বিতর্কে জড়াতে হয়েছিল রবীচন্দ্র অশ্বিনকে। নিয়মে থাকলেও ক্রিকেটে মানকাড়িং আউটকে বাঁকা চোখে দেখা হয়। ব্যাটসম্যানদের সুবিধা দেওয়ার এই নীতিতে তীব্র দ্বিমত তখনই জানিয়েছিলেন ভারতীয় অফ স্পিনার অশ্বিন। আইসিসি ওভারস্টেপ ‘নো’ বল নিয়ে আরও কড়াকড়ি আরোপ করার পর এবার এই ব্যাপারে বোলারদের ন্যায্যতা দাবি করেছেন তিনি।
Ravichandran Ashwin

গত আইপিএলে জস বাটলারকে ক্রিকেটীয় নিয়ম মেনে আউট করেও বিতর্কে জড়াতে হয়েছিল রবীচন্দ্র অশ্বিনকে। নিয়মে থাকলেও ক্রিকেটে মানকাড়িং আউটকে বাঁকা চোখে দেখা হয়। ব্যাটসম্যানদের সুবিধা দেওয়ার এই নীতিতে তীব্র দ্বিমত তখনই জানিয়েছিলেন ভারতীয় অফ স্পিনার অশ্বিন। আইসিসি ওভারস্টেপ ‘নো’ বল নিয়ে আরও কড়াকড়ি আরোপ করার পর এবার এই ব্যাপারে বোলারদের ন্যায্যতা দাবি করেছেন তিনি।

ওভারস্টেপিংয়ের ক্ষেত্রে বোলারের পা সুতো পরিমাণ সামনেও পড়ল কিনা তা দেখতে তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নিবেন মাঠের আম্পায়াররা। সামান্য বিচ্যুতিতেও ডাকা হবে ‘নো’ বল। এই কড়াকড়ির পর টুইট করে অশ্বিন বলেছেন তাহলে ব্যাটসম্যানরাও যেন বল ছোঁড়ার আগে সামান্যও বের না হন,  ‘আমি আশা করব প্রযুক্তি এটাও দেখবে যে নন-স্ট্রাইকার বল ছাড়ার আগেই যেন ক্রিজ থেকে বের না হয়ে যায়। গেলে সেই রান বাতিল করা হোক।’

এটা করা হলেই ওভারস্টেপের আইনের সমতা আসবে বল মত অশ্বিনের। এই বিষয়ে তার যুক্তিও প্রখর। ব্যাটসম্যান বল ছাড়ার আগে সামান্য বেরিয়ে গেলেও তার দুই রান নেওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়। এমনকি অনেক সময় সুতো পরিমাণ ব্যবধানে রান আউটের হাত থেকেও পার পেয়ে যান। নিয়মতান্ত্রিক মানকাড়িং আউট নিয়ে তাই নৈতিক প্রশ্ন তোলার কোন মানে দেখেন না অশ্বিন। ব্যাখ্যা দিয়ে এর প্রভাব বর্ণনা করেছেন তিনি,  ‘এর প্রভাব হয়ত অনেকের বোধগম্য না। আমি বুঝিয়ে দেই। ধরেন দু’ফুট এগিয়ে গিয়ে নন-স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান তার সঙ্গীকে দু’রান নিতে সাহায্য করলে সেই ব্যাটসম্যান স্ট্রাইক পাবে। এর ফলে আমি চার-ছয় খেয়ে যেতে পারি (ভাল ব্যাটসম্যান ফের স্ট্রাইকে চলে গেলে)। তার মানে আমি অন্তত ৭ রান দিলাম। যা বড়জোর এক রান হতে পারত। কিংবা কোন রানই হতো না।’

 

Comments