খুব ভালো একটি মৌসুম কাটাবে মেসি: ভিক্তর ভালদেস

বার্সেলোনা ও স্পেনের সাবেক এই গোলরক্ষক আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী মৌসুমটি দারুণ কাটবে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের।
messi
ছবি: রয়টার্স

অনেক নাটকীয়তার পর লিওনেল মেসি ক্যাম্প ন্যুতে থেকে যাওয়াতে ভীষণ খুশি হয়েছেন তার সাবেক ক্লাব সতীর্থ ভিক্তর ভালদেস। বার্সেলোনা ও স্পেনের সাবেক এই গোলরক্ষক আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী মৌসুমটি দারুণ কাটবে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের।

গেল ২৫ অগাস্ট বুরোফ্যাক্সের মাধ্যমে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষকে ক্লাব ছাড়ার বার্তা পাঠান মেসি। এরপর তা আলোড়ন তৈরি করে ফুটবল দুনিয়ায়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলেও পরবর্তীতে গুঞ্জন ওঠে। কিন্তু ৭০০ মিলিয়ন রিলিজ ক্লজের কারণে তার বার্সা ছাড়ার ইচ্ছা আর পূরণ হয়নি। দশ দিনের টানাপড়েনের পর গেল শুক্রবার রেকর্ড ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা সিদ্ধান্ত নেন থেকে যাওয়ার।

গেল মৌসুমে তীব্র হতাশা উপহার দেয় বার্সা। কাতালান ক্লাবটি জিততে পারেনি কোনো শিরোপা। সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি তারা হয় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৮-২ গোলে নাস্তানাবুদ হয় দলটি। এরপর মেসি ক্লাব ছাড়তে মনস্থির করায় প্রশ্ন ওঠে বার্সেলোনার প্রতি তার নিবেদন নিয়ে। তাতে বেশ কষ্ট পেলেও ভালদেস মনে করছেন, গোটা বিষয়টি মেসির চলার পথের পাথেয় হিসেবে কাজ করবে।

victor valdes
ছবি: এএফপি

কাতালান রেডিও স্টেশন আরএসি ওয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি মানসিকভাবে ভুগেছি। কারণ দিন শেষে তারা আমার সতীর্থ। মূল দলে ঢোকার পর থেকে লিও আমার সঙ্গে ছিল এবং তার সঙ্গে সবসময়ই আমার খুব দৃঢ় বন্ধন ছিল। আমি মানসিকভাবে ভুগেছি, কারণ লিওর মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না। তার মান কিংবা সে যা উপস্থাপন করে, তা নিয়েও নয়। বিভিন্ন মন্তব্যে কষ্ট পেলেও আমরা ইতোমধ্যে জানি যে, ফুটবলে এসব হয়ে থাকে। এখন আমি খুব খুশি যে, বার্সা তাকে পাচ্ছে। আশা করি, সে সক্রিয় থাকবে এবং বার্সাকে অনেক আনন্দ দিতে পারবে, যা দলটির প্রয়োজন।’

ভালদেস যোগ করেছেন, ‘আমি মনে করি, লিওর খুব ভালো একটি মৌসুম কাটবে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাকে সক্রিয় রাখবে এবং আমরা সেই লিওকে দেখতে পাব, যে মাঠে তা-ই করে দেখাতে চাইছে, যা সে করতে সক্ষম। আশা করি, শেষ পর্যন্ত দল ও ক্লাব লিওর সেরাটা দেখতে পাবে। কারণ এটি নিশ্চিত যে, প্রতিটি ম্যাচে সে ফল নির্ধারণ করে দিতে পারে এবং সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

Comments

The Daily Star  | English
battery-run rickshaws in Dhaka

Banning rickshaws may not be the big traffic solution

Dhaka’s traffic is a complicated problem that needs multifaceted efforts to combat it.

59m ago