করোনাভাইরাস

ভারতে শনাক্ত ৫৯ লাখ ছাড়াল, মৃত্যু প্রায় সাড়ে ৯৩ হাজার

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৮৫ হাজার ৩৬২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৫৯ লাখ তিন হাজার ৯৩২ জনে দাঁড়াল। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়তে।
করোনার সংক্রমণের মধ্যেই ভারতের অনেক রাজ্যে খুলেছে স্কুল। আসামের একটি শহরের স্কুলে মাস্ক ও ফেস-শিল্ড পরে ক্লাসে যাচ্ছেন এক শিক্ষক। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০। ছবি: রয়টার্স

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৮৫ হাজার ৩৬২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৫৯ লাখ তিন হাজার ৯৩২ জনে দাঁড়াল। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়তে।

একই সময়ে মারা গেছেন আরও এক হাজার ৮৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৩ হাজার ৩৭৯ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৪২০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮৪ জন। ভারতে মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

আজ শনিবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এরপর রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ, তামিল নাড়ু, কর্ণাটক, উত্তর প্রদেশ ও দিল্লিতে। দেশটিতে মোট শনাক্ত ৫৯ লাখ তিন হাজার ৯৩২ জনের মধ্যে বর্তমানে আক্রান্ত রয়েছেন নয় লাখ ৬০ হাজার ৯৬৯ জন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে সাত কোটি দুই লাখ ৬৯ হাজার ৯৭৫টি নমুনা।

উল্লেখ্য, জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান দুই নম্বরে। ভারতের আগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও পরে ব্রাজিল।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিন কোটি ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭১৩ জন এবং মারা গেছেন নয় লাখ ৮৭ হাজার ৭৭৫ জন। আর সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি ২৩ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৬ জন।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

A section of government officials are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Center has found.

3h ago