চট্টগ্রামে রিকশা থেকে নামিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮

চট্টগ্রামে বাসায় ফেরার পথে ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে রিকশা থেকে নামিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক সোর্স ও এক নারীসহ আট জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

চট্টগ্রামে বাসায় ফেরার পথে ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে রিকশা থেকে নামিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক সোর্স ও এক নারীসহ আট জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নগরের চান্দগাঁও থানার মৌলভীপুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পুলিশের সোর্স জাহাংগীর আলম (৩৮), মো. ইউসুফ (৩২), মো. রিপন (২৭), মো. সুজন (২৪), দেবু বড়ুয়া প্রকাশ, জোবায়ের হোসেন, মো. শাহেদ (২৪), রিন্টু দত্ত বিপ্লব (৩০) ও মনোয়ারা বেগম ওরফে লেবুর মা (৫৫)। এদের মধ্যে রিপন, সুজন, শাহেদ ও মনোয়ারা ছাড়া বাকিরা সিএনজি চালক। 

আজ শুক্রবার মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, জেলার রাঙ্গুনিয়া থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গতকাল রাত সাড়ে দশটার দিকে নগরের চান্দগাঁও এলাকায় নামেন ওই গৃহবধূ। সেখান থেকে রিকশায় নগরের চকবাজারের বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা হন। পথিমধ্যে মৌলভী পুকুরপাড় এলাকায় তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে রাস্তার পাশে একটি ডাস্টবিনের আড়ালে নিয়ে জাহাংগীরের নেত্বত্বে গ্রেপ্তারকৃতরা ধর্ষণ করে।

‘রাতে ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন,’ বলেন বিজয় বসাক।

তিনি আরও বলেন, ‘ওসিসি থেকে খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালাই। আসামি জাহাংগীরকে পটিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া, নগরীর অন্যান্য জায়গা থেকে বাকিদের গ্রেপ্তার করা হয়।’

পুলিশ কর্মকর্তা বিজয় বসাক বলেন, ‘আসামিরা ওই নারীকে মারধোর করে মোবাইল ও দুই হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। রাত সাড়ে ৪টার দিকে আমরা ওসিসি থেকে খবর পাই। ভুক্তভোগীকে আসামিদের ছবি দেখিয়েছি। তিনি তাদেরকে চিহ্নিত করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে আমরা ধর্ষণের আলামত উদ্ধার করেছি।’

এই ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও তিনি জানান।

Comments

The Daily Star  | English
Pool lies empty as Bogura swimmers train in ponds

Pool lies empty as Bogura swimmers train in ponds

“I don’t want to talk about the lack of facilities anymore. Many journalists have come before, interviewed me about it, but nothing ever happens,” said Masud Rana, a Bogura-based swimming instructor, who was frustrated by the years of false promises and obliviousness of the authorities.

9h ago