‘রেল পানি’ বিক্রি বন্ধ, বিএসটিআই ও বুয়েট পরীক্ষার পর বাজারজাত হবে

গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ার কারণে ‘রেল পানি’ বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পরীক্ষার পর বাজারজাত করণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ার কারণে ‘রেল পানি’ বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পরীক্ষার পর বাজারজাত করণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

আজ রোববার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল আলমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, রেল অঙ্গনে নিজস্ব ব্রান্ডের বোতলজাত পানি ‘রেল পানি’ প্রবর্তনের নিমিত্ত বাংলাদেশ রেলওয়ে অতি সম্প্রতি উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে শ্যামলী ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’র সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিষয়টি নিয়ে কিছু কিছু গণমাধ্যম সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই না করে মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো- বাজারে বহুল প্রচলিত শ্যামলী ড্রিংকিং ওয়াটার, শ্যামলী ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত পানি বিএসটিআই এবং বুয়েট কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত বোতলজাত পানি। একই ফ্যাক্টরিতে প্রস্তুতকৃত একই পানি রি-ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে মাত্র। অর্থাৎ রেলওয়ের জন্য ব্যবহৃত বোতলে শ্যামলী নামের পরিবর্তে কেবল লেবেল পরিবর্তন করে রেল পানি নামকরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন যাবত শ্যামলী পানি বাজারে বিক্রি হলেও এ পানির বিরুদ্ধে কখনো কোনো অভিযোগ পরিলক্ষিত হয়নি। রেল অঙ্গনে রেল পানি বাজারজাতের সঙ্গে সঙ্গেই এ ধরনের অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানায়, এ পানির গুণগত মান পরীক্ষার জন্য বিএসটিআই এবং বুয়েটকে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাজারজাত করণে গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ রেলওয়ে অবহিত হয়ে আপাতত এ পানি বিক্রি বন্ধ রেখেছে। বিএসটিআই এবং বুয়েটের পরীক্ষার সনদপ্রাপ্তির পর পুনরায় বাজারজাত করণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comments

The Daily Star  | English

Climate change to wreck global income by 2050: study

Researchers in Germany estimate that climate change will shrink global GDP at least 20% by 2050. Scientists said that figure would worsen if countries fail to meet emissions-cutting targets

2h ago