শেষে ভাবাভাবির কিছু নেই, বল দেখো আর মারো: জাদেজা

নাগালের মধ্যে বল পেলে ছক্কা মারাটা ভারতের বাঁহাতি স্পিন অলরাউন্ডারের জন্য ‘সিম্পল’ ব্যাপার।
jadeja
ছবি: টুইটার

শেষ দুই ওভারে চাই ৩০ রান। এমন কঠিন লক্ষ্য সামনে থাকায় মাত্রই উইকেটে যাওয়া রবীন্দ্র জাদেজা শুরু করলেন তাণ্ডব। তারপরও সমীকরণ মেলানো হয়ে উঠল কঠিন। শেষ দুই বলে চেন্নাই সুপার কিংসের প্রয়োজন দাঁড়াল ৭ রান। জাদেজা উঠলেন আরও তেতে। টানা দুই ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে পৌঁছে দিলেন জয়ের বন্দরে। এরপর বললেন, নাগালের মধ্যে বল পেলে ছক্কা মারাটা তার জন্য ‘সিম্পল’ ব্যাপার।

চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) বৃহস্পতিবার রাতে উপহার দিলো আরেকটি রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের। শেষ বলে নিষ্পত্তি হওয়া লড়াইয়ে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারাল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই।

নাটকীয় ম্যাচের পাল্লা একবার কলকাতার দিকে হেলে তো একবার চেন্নাইয়ের দিকে। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিলেন জাদেজা। ছয়ে নেমে খেললেন ১১ বলে ৩১ রানের টর্নেডো ইনিংস। যাতে দুটি চারের সঙ্গে ছিল তিনটি ছক্কা। ফলে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে কলকাতার করা ৫ উইকেটে ১৭২ রান চেন্নাই পেরিয়ে গেল ৪ উইকেটে ১৭৮ রান তুলে।

ম্যাচ শেষে ভারতের বাঁহাতি স্পিন অলরাউন্ডার জাদেজা বলেন, এমন উত্তেজনাপূর্ণ ক্ষেত্রে বাড়তি চিন্তা না করেই বল হাঁকাতে হয়, ‘ম্যাচের আগে নেটে খুব ভালোভাবে বল মারতে পারছিলাম আমি এবং ম্যাচেও চেয়েছি সেটারই পুনরাবৃত্তি করতে। শেষ দুই ওভারে আসলে ভাবাভাবির খুব বেশি কিছু থাকে না। স্রেফ বল দেখো আর মারো।’

দলকে জেতানোর আত্মবিশ্বাস ছিল জানিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘আমি জানতাম, যদি তারা আমার নাগালের মধ্যে বল ফেলে, তাহলে ছক্কা মারতে পারবই। ব্যাপারটা সিম্পল। আর যখন আপনি ভালো একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলবেন এবং দলকে জেতাবেন, তখন আপনার স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ লাগবে।’

অসাধারণ একটি ম্যাচ জিতলেও চেন্নাইয়ের প্লে-অফে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে অনেক আগে। ১৩ ম্যাচে মাত্র ১০ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে আট দলের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে। তবে লিগ পর্বের বাধা পাড়ি দেওয়ার আশা এখনও টিকে আছে কলকাতার। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে পঞ্চম স্থানে।

Comments

The Daily Star  | English
Pool lies empty as Bogura swimmers train in ponds

Pool lies empty as Bogura swimmers train in ponds

“I don’t want to talk about the lack of facilities anymore. Many journalists have come before, interviewed me about it, but nothing ever happens,” said Masud Rana, a Bogura-based swimming instructor, who was frustrated by the years of false promises and obliviousness of the authorities.

9h ago