রিফাত হত্যা মামলা

বরগুনা থেকে বরিশাল বিভাগীয় কারাগারে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিকে আজ শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় বরিশাল বিভাগীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বরগুনা জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেন।
রিফাত শরীফ। ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিকে আজ শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় বরিশাল বিভাগীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বরগুনা জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, ‘আসামিদের সকাল ১০টার দিকে বরগুনা থেকে বরিশাল পাঠানো হয়েছে।’ এর আগে, গতকাল সকালে একই মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা কারাগার থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, বরগুনা জেলা কারাগারে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের রাখার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই এবং সে কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিন্নিসহ রিফাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামিকে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় নারী কারাগারে ও বরিশালে বিভাগীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বরগুনা কারাগার থেকে আসামিদের বের করার সময় কারাফটকে স্বজনদের ভিড় দেখা গেছে। সে সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। কড়া নিরাপত্তায় আসামিদের জেলগেট থেকে প্রিজনভ্যানে উঠানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয় আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়াও, বেকসুর খালাস প্রদান করা হয় এ মামলার অপর চার আসামিকে। রায়ের পর থেকেই বরগুনা জেলা কারাগারের নারী নির্জন সেলে বন্দি ছিলেন মিন্নি। অন্যরাও একই কারাগারে ছিলেন।

একই মামলায় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ১৪ আসামির মধ্যে বরগুনা শিশু আদালত বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দিয়েছেন। এদের মধ্যে ছয় জনকে ১০ বছর করে, চার জনকে পাঁচ বছর করে এবং একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর তিন জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

Comments