খেলা

চাপেও নির্ভার থাকার মন্ত্র জানালেন স্টোকস

চাপ মানেই যেন তার আদর্শ পরিস্থিতি। চাপে কীভাবে এত নির্ভার থাকে তার ব্যাট, আইপিএল খেলতে এসে জানালেন সেই রহস্য।
Ben Stokes

বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে ভীষণ চাপে বেন স্টোকস খেলেছিলেন অবিশ্বাস্য এক ইনিংস। পরে অ্যাশেজে  একা হাতে আরও অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন রান তাড়ায় সমীকরণ মিলিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। স্টোকসকে আজীবন মনে রাখার জন্য এই দুই ইনিংসই যথেষ্ট। চাপ মানেই যেন তার আদর্শ পরিস্থিতি। চাপে কীভাবে এত নির্ভার থাকে তার ব্যাট, আইপিএল খেলতে এসে জানালেন সেই রহস্য।

বাবার অসুস্থতার কারণে লম্বা সময়ের অনুপস্থিতির পর আইপিএলের মাঝপথে যোগ দেন স্টোকস। শুরুতে রান না পেলেও এরমধ্যে একটা সেঞ্চুরি করে রাজস্থান রয়্যালসকে জিতিয়েছেন। সামনে তার উপর আরও বড় দায়িত্ব।

সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে স্টোকস জানান, শেখার জানালাটা খোলা রাখাতেই তার প্রথম সুবিধা,  'অভিজ্ঞতা। যত বেশি খেলবে তত শিখবে। ভিন্ন পরিস্থিতি থেকে ভিন্ন কিছু শেখা হবে। খেলোয়াড় হিসেবে আমি যেখানে আছি তা নিয়ে আমি কখনই তৃপ্ত হই না।'

'আমি সব সময় উন্নতির চেষ্টা করি। আমি এখনো আমার শক্তির জায়গা নিয়ে কাজ করছি, যে কারণে আমি রান করছি, উইকেট নিচ্ছি। ভুলে গেলে চলবে না। আমি আমার দুর্বলতা থেকে দূরে থাকি যেটা আমাকে খেলোয়াড় হিসেবে ধারাবাহিক করেছে।'

কিন্তু বড় ম্যাচে কীভাবে এতটা  শান্ত থেকে ম্যাচ বের করতে পারেন? এতেও বাড়তি রহস্য নয়, সহজ পথ দেখালেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার,  'সিষ্টেম অব দ্য গেম। হাইপটা আশেপাশের মানুষই বানিয়ে গেলে। তবে এর মানে এই না যে আমরা স্নায়ুচাপে ভুগি না বা উত্তেজিত থাকি না। এটা তো স্বাভাবিক। পরিস্থিতিকে গ্রহণ করে সামলাতে হবে, এর থেকে উত্তরণ করতে হয়। দিনশেষে অ্যাশেজ হোক বা বিশ্বকাপ। এটা তো ক্রিকেট খেলাই।'

'যখন আপনি একবার চাপের সময়ে অভ্যস্ত হবেন, পরে তা আপনার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যেরই হবে।'

এবারের আইপিএল থেকেও নিজের ক্রিকেটীয় চিন্তায় শান দিতে চান ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া এই ক্রিকেটার,  'আইপিএল দুর্দান্ত শেখার জায়গা। দুনিয়ার সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে ও বিপক্ষে খেলার সুযোগ হয়। আপনি তাদের চিন্তা ধার করতে পারেন।'

 

Comments

The Daily Star  | English

Myanmar responded positively in taking back Rohingyas: FM Hasan

Myanmar Foreign Minister Than Swe has responded positively to start repatriation of the Rohingyas to their homeland-Myanmar

37m ago