সফটওয়্যারে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিপক্ষে ইউজিসির বিশেষজ্ঞ কমিটি

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সফটওয়্যার ব্যবহার করে বর্তমান অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হবে না বলে মত দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বিশেষজ্ঞ কমিটি।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সফটওয়্যার ব্যবহার করে বর্তমান অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হবে না বলে মত দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বিশেষজ্ঞ কমিটি।

ইউজিসির সফটওয়ার পর্যালোচনা সভা শেষে বিশেষজ্ঞ কমিটি আজ তাদের এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

তারা বলেন, ‘সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার মতো সক্ষমতা দেশে এখনো তৈরি হয়নি। এই সফটওয়্যার দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। নেটওয়ার্ক ও টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে সব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সঠিক নাও হতে পারে।’

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এই অভিমত উঠে আসে।

সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর তার ‘প্রক্টরড রিমোট এক্সামিনেশন সিস্টেম’ সফটওয়ার উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সফটওয়্যারটি ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার মতো উপযোগী হয়নি।’

আট সদস্যের এই বিশেষজ্ঞ কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজ মো. হাসান বাবু, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা আকবর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা আজাদ কামাল রয়েছেন। বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে আগ্রহ প্রকাশ করায়, ইউজিসি সফটওয়্যারটি পর্যালোচনা করে।

গত ১৭ অক্টোবর দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এক ভার্চুয়াল সভায় নতুন বছরের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন। তবে, সে সময় পরীক্ষার তারিখ ও পদ্ধতি পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছিল।

ওই সভায় অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূর অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার উপযোগী সফটওয়্যার উপস্থাপনা করেছিলেন।

Comments

The Daily Star  | English

Sugar market: from state to private control

Five companies are enjoying an oligopoly in the sugar market, which was worth more than Tk 9,000 crore in fiscal year 2022-23, as they have expanded their refining capacities to meet increasing demand.

2h ago