ফিটনেস পরীক্ষায় সাকিবের স্কোর নিয়ে বিভ্রান্তি

দুদিন আগে ফিটনেস পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও সেদিন অংশ নেননি সাকিব আল হাসান।
Shakib Al Hasan
ছবি: বিসিবি

দুদিন আগে ফিটনেস পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল সাকিব আল হাসানের। নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই চলে এসেছিলেন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। অনেকটা সময় কাটালেও সেদিন ফিটনেস যাচাইয়ের জন্য বিপ টেস্টে অংশ নেননি তিনি। পরে জানা যায়, আলাদাভাবে বিপ টেস্ট দেবেন সাকিব। সেই পরীক্ষায় তিনি অন্যতম সেরা স্কোর করেছিলেন বলে জানান ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদার। যদিও পরে এর সত্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। 

এক সূত্রে জানা যায়,  বুধবার বিপ টেস্টে সাকিবের স্কোর এসেছে ১৩.৭। আগের সর্বোচ্চ ছিল পেসার মেহেদী হাসানের। তিনি পেয়েছিলেন ১৩.৬। দারুণ ফল এসেছিল নিহাদুজ্জামানেরও। ২১ বছরের এই স্পিন অলরাউন্ডারের স্কোর ছিল ১৩.৪।



আরও পড়ুন- ফিটনেস পরীক্ষায় সাকিব সেরা নন, ‘স্ট্যান্ডার্ড মানের’ কাছাকাছি!

ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদার জানিয়েছেন, ‘সাকিব আজ একা অংশ নিয়েছে। তার স্কোর ১৩ এর চেয়ে বেশি এসেছে। আমি একদম সঠিকটা বলতে পারছি না। তবে অন্যতম সেরা।’

সাকিব ১৩.৭ পেলে সেটা হবে সবার সেরা। বিকেলে যদিও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানান, তাদের বেঞ্চমার্কের কাছাকাছি পেয়েছেন এই তারকা । গত শুক্রবার ভোররাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর অবশ্য ফিটনেস প্রসঙ্গে কিছুটা উদ্বেগ জানিয়েছিলেন তিনি, ‘যে অবস্থায় ছিলাম, অবশ্যই সে অবস্থায় নেই। তারপরও মাঝখানে (গত সেপ্টেম্বরে, বিকেএসপিতে) যখন অনুশীলন করছিলাম, ভালো একটা অবস্থানে চলে এসেছিলাম। এক মাসের এই বিরতি না গেলে হয়তো ভালো অবস্থায় থাকতাম। বিরতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খানিকটা পিছিয়ে গেছি। সময় তাই লাগবে। এই টুর্নামেন্ট শেষ হতে হতে আশা করি আমার পুরো ফিটনেস ফিরে পাব।’ 

যারা বিপ টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদের নতুন করে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফট। বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, বিপ টেস্টে ন্যূনতম ১১ স্কোর করতে পারলে তবেই জায়গা মিলবে প্লেয়ার্স ড্রাফটে।

Comments

The Daily Star  | English

Dozens injured in midnight mayhem at JU

Police fire tear gas, pellets at quota reform protesters after BCL attack on sit-in; journalists, teacher among ‘critically injured’

2h ago