৬০ লাখের বেশি ভোটে এগিয়ে বাইডেন, নিজেকে এখনো ‘জয়ী’ দাবি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বশেষ ভোট গণনা অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৬০ লাখেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন জো বাইডেন।
Trump and Biden.jpg
জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বশেষ ভোট গণনা অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৬০ লাখেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন জো বাইডেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, ইলেকটোরাল কলেজ ও পপুলার ভোটে ইতোমধ্যেই জয় পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন জো বাইডেন। তবে এখনো পর্যন্ত পরাজয় মেনে নেননি ট্রাম্প।

শুক্রবার সর্বশেষ গণনা অনুযায়ী, জো বাইডেন প্রায় ৮ কোটি ভোট জিতেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ট্রাম্প জিতেছেন প্রায় ৭ কোটি ৪০ লাখ ভোট।

দুই সপ্তাহ আগে পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেকটোরাল ভোট জিতে নেওয়ার পরই বাইডেনকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে সিএনএন ও অন্যান্য মার্কিন গণমাধ্যম।

বাইডেন সবমিলিয়ে ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পাবেন বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সিএনএন। অন্যদিকে, ট্রাম্প পাবেন ২৩২টি ভোট।

২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ট্রাম্প একই ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন।

এদিকে, শুরু থেকেই নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও নির্বাচনে তার বিজয় নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি তুলেছেন। হোয়াইট হাউসে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনে আমি জয়ী হয়েছি!’

এ বছর মার্কিন নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক মেইল ইন ব্যালট জমা পড়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে জনসমাগম ও ভিড় এড়িয়ে ডাকযোগে ভোট দেওয়াকেই নিরাপদ মনে করেছেন মার্কিনীরা।

ভোটগণনা শেষ করতে অনেক দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে আগ থেকেই সর্তক করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জানান, নির্বাচনের রাতে বা তার পরের দুই-তিন দিনেও ফলাফল জানা নাও যেতে পারে।

শুরু থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ জানিয়েছেন। নির্বাচনের আগেও ট্রাম্প একাধিকবার শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন না বলে জানিয়েছিলেন।

সিএনএন জানায়, জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসের ট্রানজিশন টিম ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো সহযোগিতা ছাড়াই কাজকর্ম এগিয়ে নিচ্ছে।

বাইডেনের টিম জানায়, এ ধরনের অসহযোগিতার কারণে দেশটির করোনা পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হতে পারে। 

Comments

The Daily Star  | English

Death came draped in smoke

Around 11:30pm, there were murmurs of one death. By then, the fire had been burning for over an hour.

6h ago