রাজা ও রাজপরিবারের সমালোচনা করা যাবে না, থাইল্যান্ডে বিতর্কিত আইন আবার চালু

থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে আবারও বিতর্কিত ‘এসই ম্যাজেস্ট’ আইন চালু করেছে দেশটি। এ আইনের আওতায় রাজা বা রাজপরিবারের কোনো সমালোচনা করা যাবে না।
থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে আবারও বিতর্কিত ‘এসই ম্যাজেস্ট’ আইন চালু করেছে দেশটি। ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে আবারও বিতর্কিত ‘এসই ম্যাজেস্ট’ আইন চালু করেছে দেশটি। এ আইনের আওতায় রাজা বা রাজপরিবারের কোনো সমালোচনা করা যাবে না।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে ইতোমধ্যেই আইন ভঙ্গের অভিযোগে তলব করা হয়েছে। আইন ভঙ্গকারী প্রত্যেকের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

গত দুই বছরের মধ্যে এই প্রথম রাজা বা রাজপরিবারের সমালোচনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

থাইল্যান্ডে গত জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। এর আগে, দেশটিতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ণর ক্ষমতা কমানোর দাবিতে আন্দোলনরত কর্মীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের আইন ব্যবহার করা হবে বলে মন্তব্য করেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রয়ূথ চান-ওচা।

গতকাল মঙ্গলবার ২২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকর্মী প্যারিট চিয়ারাক জানান, তার বিরুদ্ধে অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি ‘এসই ম্যাজেস্ট’ নামের আইনের ধারায় তলব করা হয়েছে। তবে তিনি ভীত নন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ছয় নেতার বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ আনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবিসি জানায়, থাইল্যান্ডের ‘এসই ম্যাজেস্ট’ আইনে রাজার অপমান নিষিদ্ধ, এটি বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন। তিন বছর পরে রাজা ভাজিরালংকর্ণর আদেশে এটি আবার চালু হয়েছে বলে জানা গেছে।

থাইল্যান্ডে গত সপ্তাহে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এতে ছয়জন গুলিবিদ্ধ ও বেশ কয়েকজন আহত হন।

ঘটনার প্রতিবাদে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী থাই পুলিশ সদর দপ্তরে রং নিক্ষেপ করে। পুলিশের ছোড়া জল কামান ও টিয়ারগ্যাসের প্রতিক্রিয়ায় এটি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। কয়েকজন প্রতিবাদকারী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাজতন্ত্রবিরোধী গ্রাফিতিও এঁকেছেন।

Comments

The Daily Star  | English
irregular migration routes to Europe from Bangladesh

To Europe via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

22h ago