কুষ্টিয়ায় সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

কুষ্টিয়ায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় জেলা শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হামলার শিকার দীপ্ত টেলিভিশনের জেলা সংবাদদাতা দেবেশ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি করেছেন।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

কুষ্টিয়ায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় জেলা শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হামলার শিকার দীপ্ত টেলিভিশনের জেলা সংবাদদাতা দেবেশ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি করেছেন।

মামলার বিষয়টি আজ রোববার দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর এলাকায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল চলছিল। সেখানে কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদসহ অন্যান্য আসামিরা মোটরসাইকেলে করে হকিস্টিক ও লাঠিসহ মজমপুরে সদর থানা বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান। এই সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক দেবেশ চন্দ্রসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান। সে সময় দীপ্ত টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান হারুন উর রশীদ সেই দৃশ্য ধারণ করতে থাকেন। সাদ আহমেদ সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেন। সেসময় দেবেশ ও হারুনকে মারধর করা হয়। পরে সাংবাদিক দেবেশ ও ক্যামেরাম্যান হারুনকে আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। বর্তমানে হারুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হামলার ঘটনায় সাদ আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। একইসঙ্গে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ১৫-২০ জনকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদ আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে আমরা মিছিল করেছিলাম। সে সময় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছিল। কিন্তু, অন্য আর কিছুতে ভাঙচুর চালানো হয়নি। পরে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করা নিয়ে সাংবাদিকেরা আমাদের কাছে জানতে চাওয়ার এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা কেউ ক্যামেরাম্যানকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু, এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের কোনো নেতাকর্মী এর সঙ্গে জড়িত থাকলে আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু, মামলাটি আমার বিরুদ্ধে করার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

Comments

The Daily Star  | English

International Mother Language Day: Languages we may lose soon

Mang Pru Marma, 78, from Kranchipara of Bandarban’s Alikadam upazila, is among the last seven speakers, all of whom are elderly, of Rengmitcha language.

10h ago