দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন ওষুধে কি সম্ভব?

দেশে করোনা মহামারির প্রারম্ভ থেকেই বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তারেক আলম ১৯ জন চিকিৎসক ও গবেষকের একটি দল নিয়ে করোনাভাইরাসের চিকিত্সা খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন। সম্মান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ও হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ডা. রুবাইউল মুর্শেদের সঙ্গে তিনি আইইডিসিআর,বি পরিচালিত একটি গবেষণায় সহ-প্রাথমিক তদন্তকারী ও উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য আইভারমেকটিন ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণা করছেন। দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দুই চিকিত্সক বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি এবং কোভিড-১৯’র চিকিত্সায় ‘জনগণের ওষুধ’ নিয়ে কথা বলেছেন।

দেশে করোনা মহামারির প্রারম্ভ থেকেই বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তারেক আলম ১৯ জন চিকিৎসক ও গবেষকের একটি দল নিয়ে করোনাভাইরাসের চিকিত্সা খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন। সম্মান ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ও হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ডা. রুবাইউল মুর্শেদের সঙ্গে তিনি আইইডিসিআর,বি পরিচালিত একটি গবেষণায় সহ-প্রাথমিক তদন্তকারী ও উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য আইভারমেকটিন ব্যবহারের বিষয়ে গবেষণা করছেন। দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দুই চিকিত্সক বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি এবং কোভিড-১৯’র চিকিত্সায় ‘জনগণের ওষুধ’ নিয়ে কথা বলেছেন।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তারেক আলম এবং অধ্যাপক ডা. রুবাইউল মুর্শেদ। ছবি: সংগৃহীত

করোনার চিকিৎসায় আইভারমেকটিন কেন?

এপ্রিলের প্রথম দিকে প্রকাশিত অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণাপত্রে (Caly et al) কোভিড-১৯ ভাইরালেন্স কমানোর জন্য অনন্য সক্ষমতাসহ আইভারমেকটিনের বহুমুখী বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। এর আগেও থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশে সার্স, জিকা ও ডেঙ্গুর চিকিত্সায় আইভারমেকটিন ব্যবহার করা হয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল ডা. আলম এফডিএ অনুমোদিত এই ওষুধের গবেষণার বিষয়ে করোনা আক্রান্ত এক সহকর্মীকে জানান। তিনি নির্দেশনা অনুযায়ী ডক্সিসাইক্লিনের সঙ্গে এই ওষুধ সেবন করতে রাজি হন।

এই ওষুধ ব্যবহারের ফলে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়। এরপরে কোভিড-১৯ পজিটিভ আরও চিকিৎসক ও ইন্টার্নদের সম্মতি নিয়ে তাদেরও এই ওষুধ দেওয়া হয়। আমরা ৫০ জনের বেশি রোগীকে পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এই ওষুধ সেবনে উপকার পেতে দেখেছি। ২০২০ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) জার্নালে এই ফলাফল নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। এই চিকিত্সা পুলিশ হাসপাতালেও প্রয়োগ করা হয় এবং সেখানে সাফল্যের হার ৯০ শতাংশ।

ডা. আলম ও তার দল বাংলাদেশ মেডিকেল গবেষণা কাউন্সিল (বিএমআরসি) ও ঔষধ প্রশাসনের কাছ থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এবং উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে কোভিড-১৯ রোগীদের ওপর এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি নেন। এখন এই গবেষণাটি আইসিডিডিআর,বি এবং আইইডিসিআরেও করা হচ্ছে। এই ওষুধটির ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত ফলাফল নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রচুর আগ্রহ রয়েছে। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ওষুধটি নিয়ে গবেষণা শুরু করার পর আইভারমেকটিনের আবিষ্কারক নোবেল বিজয়ী ডা. সাতোশি ওমুরা ডা. আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। পাশাপাশি তানজানিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মেক্সিকোর গবেষক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক অফিস থেকেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আমরা আশা করছি, ট্রায়ালের ফলাফল আসার পর আমরা কোভিড-১৯ চিকিত্সায় জাতীয় নির্দেশিকার অংশ হিসেবে এই ওষুধটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারব।

কেন আপনারা এটিকে ‘জনগণের ওষুধ’ বলছেন?

আমরা এটাকে এই নামে ডাকি কারণ, আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিনের থেরাপির জন্য মোট খরচ হয় প্রায় ৫০ থেকে ৭৫ টাকা। সম্মান ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে এই ওষুধ বিতরণ শুরু করেছে। সিলেটে বন্যার সময় সিলেটের আঞ্চলিক স্বাস্থ্য পরিচালকের তত্ত্বাবধানে ওষুধ দুটি আক্রান্ত বহু মানুষকে দেওয়া হয়েছিল।

এই ওষুধ দুটির সমন্বয় বেশ নিরাপদ। যদিও আইভারমেকটিন সন্তানসম্ভবা ও স্তন্যদানকারী নারীদের জন্য নিরাপদ কি না, তা পরীক্ষা করা হয়নি এবং এর সামান্য কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে লিভারের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য। ডক্সিসাইক্লিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক। তবে, এতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা করোনাভাইরাসকে মোকাবিলা করতে পারে। প্রধানত এর ইমিউন মডুলেটরের জন্য এটি এখানে ব্যবহার করা হয় এবং ক্রস-রেজিস্ট্যান্স তৈরি করতে দেখা যায় এমন অ্যান্টিবায়োটিক এটি নয়।

এই ওষুধটি কি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করতে পারে?

আমরা তা নিশ্চিত করে বলতে পারি না। তবে, সম্ভাবনা আছে। আফ্রিকায় অনকোসরসিয়াসিসের প্রতিরোধক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। রক্তে এর অর্ধেক জীবন প্রায় ১৬ ঘণ্টা। তবে, গবেষণায় দেখা যায় যে এই ওষুধটি প্রায় সাত থেকে ১০ দিন ফুসফুসে থাকে এবং এর একটি অবশিষ্ট অংশও কিছু নির্দিষ্ট সংক্রমণ রোধ করতে পারে। তাই প্রোফিল্যাকটিক (প্রতিরোধক ওষুধ) হিসেবে এর কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় সাত হাজার মানুষ মারা গেছেন এবং আমাদের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কিছুদিন স্থিতিশীল ছিল। আপনি কি মনে করেন যে আইভারমেকটিন এই অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারবে?

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। স্পষ্ট করে বলা উচিত যে আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে আইভারমেকটিন প্রয়োগের কথা বলছি। যখন সংক্রমণটি বেড়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উচিত। এমন সময়ে শুধুমাত্র আইভারমেকটিন স্পষ্টতই কাজ করবে না। প্রয়োজন হবে উচ্চ প্রবাহের অক্সিজেন, আইসিইউ এমনকি ভেন্টিলেটর। এর সবই অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অনেক হাসপাতাল এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে। যা বেশিরভাগ মানুষের সাধ্যের বাইরে।

আমাদের দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ হতে পারে দেরিতে হাসপাতালে পৌঁছানো। উদাহরণ হিসেবে ধরা যায় আমার (ডা. আলম) একজন রোগীর (৬৯ বছর বয়সী) কথা। তার পুরো পরিবার সংক্রমিত হয়েছিল। শিশুদের মধ্যে কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি এবং কম বয়সী সদস্যরা সুস্থ হয়ে উঠেছিল। তবে, তিনি আমার কাছ এসেছিলেন সংক্রমিত হওয়ার ১১ দিন পর। তখন একটি এক্স-রে করে দেখা যায়, তার ফুসফুসের বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়েছে। তাই, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মানুষদের চিকিত্সা শুরু করা উচিত একেবারে প্রথম থেকেই।

আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এটি সত্যিই একটি নতুন রোগ এবং এই রোগ কীভাবে প্রভাবিত করে তা এখনো আমরা শিখছি। করোনার তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তিন থেকে ছয় মাস পর এই প্রভাবগুলো দেখা যেতে পারে। আমরা দেখেছি ফুসফুস, লিভার, কিডনি, হার্ট, মস্তিষ্ক, পেরিফেরাল নার্ভস ও মানসিক স্বাস্থ্যে করোনাভাইরাস প্রচণ্ড প্রভাব ফেলে। যার কারণে, ওষুধ খেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে— এমন কিছু বলা খুব বেশি সহজ কথা হয়ে যায়।

এটা সত্য যে কোভিড-১৯’র প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে। তবে, সম্ভবত আমরা যতটা আশঙ্কা করেছিলাম ততটা প্রভাব ফেলেনি। এর কারণ কী বলে আপনাদের মনে হয়?

মহামারির শুরুতেই লকডাউন দেওয়ায় দ্রুত ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া থেকে অবশ্যই বাঁচিয়েছে। তবে, ব্যাপক সংখ্যক প্রবাসীর প্রত্যাবর্তন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের ছড়িয়ে পড়াসহ আরও কয়েকটি কারণে আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। শুরুর দিকে আমরা তেমন প্রস্তুত ছিলাম না। আমাদের মাস্কের ঘাটতি ছিল, পিপিইর ঘাটতি ছিল এবং মনে করে দেখেন প্রথম দিকে অনেক বাংলাদেশি চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন। এখন আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ সুরক্ষা সামগ্রী আছে এবং কোভিড-১৯ কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় তাও আমরা শিখে গেছি।

ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে আপনার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং সূর্যের আলোতে (ভিটামিন ডি) বেশি সময় থাকলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে পারে— এমন আরও বেশ কিছু ধারণাও রয়েছে। অনেকের মতে যারা বস্তির মতো জায়গায় বাস করেন বা সারাদিন বাইরে কাজ করেন তাদের পুষ্টিহীনতার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ফলস্বরূপ, তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে, যা তাদের ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।

মনে হতে পারে যে আমরা নিজেদের ঢোল নিজেরাই পেটাচ্ছি। তবে, আমরা বিশ্বাস করি যে আইভারমেকটিনের বিস্তৃত ব্যবহার এই চিকিৎসায় অবদান রাখবে। কারণ, ইতোমধ্যে অনেক জায়গায় এই দুটি ওষুধের ব্যবহার হচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে অনেক ফার্মেমি সঠিক ডোজ এবং সেবনবিধি উল্লেখ না করেই আইভারমেকটিন বিক্রি করছে। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এটা আমরা সমর্থন করি না।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কি আসবে? শিগগির ভ্যাকসিন পাওয়ার বিষয়ে আপনারা কতটা আশাবাদী?

আমরা মনে করি না যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে কোনো সন্দেহ আছে। আমরা ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে দেশগুলোকে দেখছি ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে। আমাদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে। শারীরিক দূরত্ব, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং মাস্ক পরার কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই এই সুরক্ষা বিধিগুলো মেনে চলছেন না এবং তার পরিণতি অবশ্যই ভোগ করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, নতুন একটি ভ্যাকসিন পাওয়া দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। পরবর্তী এক বা দুই বছরের আগে আমাদের হাতে ভ্যাকসিন আসার সম্ভাবনা নেই।

এ সময়ে আমাদের কী করা উচিত?

আমরা দেখেছি যে একবার লকডাউনের কারণে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে আমাদের আবারও লকডাউন দেওয়ার বিকল্প থাকবে না। এজন্যই আমরা আইভারমেকটিনের প্রতিরোধমূলক সম্ভাবনা নিয়ে আরও গবেষণা করতে আগ্রহী। শুধু আমরাই না, জনস হপকিনসও জুন থেকে এটা নিয়ে একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে।

এই ওষুধটি কি দেশ ও দেশের অর্থনীতিকে চলমান এবং লকডাউনে না যাওয়ার পরিস্থিতিতে রাখতে পারবে?

আমাদের একটি রেজিস্ট্রি বা একটি ওয়েবসাইট থাকা উচিত, যেখানে আমরা এই ওষুধ দুটি যারা ব্যবহার করছে তাদের তথ্য রাখতে পারব। কতজন রোগী এটি ব্যবহার করছেন এবং তারা কী ধরনের প্রভাব দেখছেন, তা ট্র্যাক করব এর মাধ্যমে। যাতে আমরা গবেষণার জন্য এসব তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহার করতে পারি।

আমরা ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষায় আছি বলে নিশ্চিন্ত হয়ে যেতে পারি না। সবার কাছে আমাদের অনুরোধ, দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্ক পরুন, সঠিক নিয়মে হাত ধুতে হবে, যথাযথ বায়ু চলাচল সুবিধা ছাড়া শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করুন, লিফটের মতো ভিড় বা বদ্ধ স্থানগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন এবং মধ্যাহ্নের সময় প্রতিদিন গায়ে ৩০ মিনিট রোদ লাগতে দিন বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি খান (ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন)। ‘নতুন স্বাভাবিক’ জীবনে আমাদের অভ্যস্ত হতে হবে এবং সবসময় নিরাপদ থাকতে হবে।

Comments

The Daily Star  | English
Bangladesh's economy is recovering

Inflation isn’t main concern of people: finance minister

Finance Minister Abul Hassan Mahmood Ali yesterday refused to accept that inflation is one of the main concerns of the people of the country

2h ago