খেলা

১০ মাস অপেক্ষা করেও খেলা দেখতে পারলেন না পুলিশের বাগড়ায়

গত মার্চে সুদূর ইংল্যান্ড থেকে লঙ্কান দ্বীপে প্রিয় দলের খেলা দেখতে এসেছিলেন রব লুইস। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তখন সিরিজ স্থগিত করে দেশে ফিরে যায় ইংলিশ দলটি। তবে লুইস থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অপেক্ষা করতে থাকেন দলটির ফিরে আসার। অবশেষে এলোও বটে। ম্যাচও গড়াল মাঠে। কিন্তু দেখতে পারলেন না সেই ক্রিকেট ভক্ত।
ছবি: এএফপি

গত মার্চে সুদূর ইংল্যান্ড থেকে লঙ্কান দ্বীপে প্রিয় দলের খেলা দেখতে এসেছিলেন রব লুইস। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তখন সিরিজ স্থগিত করে দেশে ফিরে যায় ইংলিশ দলটি। তবে লুইস থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অপেক্ষা করতে থাকেন দলটির ফিরে আসার। অবশেষে এলোও বটে। ম্যাচও গড়াল মাঠে। কিন্তু দেখতে পারলেন না সেই ক্রিকেট ভক্ত।

গলে এদিন সিরিজের প্রথম টেস্টে মোকাবেলা করছে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড। এই খেলা দেখে জন্য মাঠে ঢোকার অনুমতি নেই। অগত্যা মাঠের পাশে ঐতিহাসিক গল ফোর্টে ওঠেন লুইস। সেখান থেকে সিটি ক্রিকেট গ্রাউন্ড দেখা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গাইতে পেরেছেন তিনি। কিন্তু এরপরই নজরে পড়েন পুলিশের। পরে সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়।

পরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে নিজের হতাশার কথা জানান এ ক্রিকেট ভক্ত, "আমি খুবই হতাশ। আমি এই ম্যাচটি দেখার জন্য ১০ মাস অপেক্ষা করেছি এবং পুলিশ আমাকে লাথি মেরে বের করে দিয়েছে। তবে কমপক্ষে আমি 'জেরুজালেম' গাইতে পেরেছি।"

শ্রীলঙ্কায় থাকাকালীন সময়ে অনলাইনে ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন লুইস। পাশাপাশি নাইটক্লাবে ডিজে হিসাবে কাজ করেছেন। গত শনিবারই গল ফোর্ট পরিদর্শন করে বুঝতে পেরেছেন মাঠে কোনো দর্শকের অনুমতি দেওয়া হবে না। আর তাকে আগাম সতর্ক করা হয়েছিল, যে তিনি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট জায়গায় প্রবেশ করতে পারবেন। কিন্তু খেলা দেখার জন্য সীমাবদ্ধ জায়গার বাইরে যেতে হয়েছে তাকে।

তারপরও স্থানীয় পুলিশের কাছে বিশেষ প্রার্থনা করেছিলেন লুইস। এমনকি এরজন্য তিনটি ব্যানারও তৈরি করেছিলেন। কিন্তু অনুমতি তো দূরের কথা সেখান থেকে তার ব্যানারও তুলে দেওয়া হয়। লুইসের ভাষায়, 'আমি পুলিশের (প্রধান) সঙ্গে দেখা করেছি। আমি ম্যাচটি দেখার জন্য সবকিছুই করতে চাই। কিন্তু তারা আমাকে তিনটি ব্যানার তুলে নেওয়ার জন্য আধ ঘণ্টা সময় দিয়েছিল। এটুকুই।'

তবে এখনও খেলা দেখার আশা ছাড়ছেন না লুইস। টেস্টের বয়স মাত্র একদিন। এরপর আরও একটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে, 'খেলার আরও নয় দিন বাকি আছে এবং আশা করছি আমি আবার সেখানে যাওয়ার অনুমতি পাব।'

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

18h ago