কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও মার্কিন স্টেট হাউজগুলোর সামনে সশস্ত্র বিক্ষোভ

মিশিগানে ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের সামনে বুগালু বয়েস সদস্যরা অস্ত্র হাতে বিক্ষোভ করে। ছবি: এপি

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু স্টেট হাউজের সামনে রবিবার বিক্ষোভ হয়েছে। যাদের মধ্যে সশস্ত্রও ছিলেন অনেকে। বিবিসি জানায়, টেক্সাস, ওরেগন, মিশিগান, ওহাইওসহ বেশ কিছু রাজ্য আইনসভার বাইরে এসব বিক্ষোভ হয়। তবে, কোনও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।

আগামী বুধবার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিষেক অনুষ্ঠানের আগে এ ধরনের সশস্ত্র বিক্ষোভের বিষয়ে সতর্ক করেছিল এফবিআই। এ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তায় ২৫ হাজারেরও বেশি ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হচ্ছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেস ভবনে হামলার ঘটনায় নিউ মেক্সিকোর এক কাউন্টি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কাউবয়েস ফর ট্রাম্প নামের একটি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কয়ি গ্রিফিন প্রেসিডেন্টের অভিষেক দিনে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসার হুমকি দিয়েছেন।

রবিবার ট্রাম্প-সমর্থক ও কিছু ডানপন্থী অনলাইন নেটওয়ার্কের পোস্টে সশস্ত্র বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়। কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীরা জড়োও হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ওহাইওর কলম্বাসের আইনসভার সামনে ভারী অস্ত্রসহ প্রায় ২৫ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়।

মিশিগানের ল্যানসিংয়েও বেশ কয়েকজনকে স্টেট হাউজের বাইরে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যেও ছিল অস্ত্রধারী।

এক বিক্ষোভকারী সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, 'আমি এখানে হামলা করতে আসিনি এবং আমি আশা করি কাউকেই আক্রমণাত্মক হতে দেখবেন না।।'

টেক্সাসের রাজধানী অস্টিনেও বিক্ষোভকারীদের একটি ছোট্ট দল দেখা গেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন রাইফেল নিয়ে এসেছিল।

পেনসিলভেনিয়ার হ্যারিসবার্গে ট্রাম্পের এক সমর্থক রয়টার্সকে অবশ্য বলেছেন যে সেখানে কিছু হচ্ছে না।

বুধবার বাইডেনের অভিষেকের আগে আরও বিক্ষোভের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে, ওয়াশিংটন ডিসির বেশিরভাগ এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার অনুরোধে হাজারো লোক সমাগমের স্থান ন্যাশনাল মল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাইডেনের পক্ষ থেকে অবশ্য জনগণকে ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি এড়াতে বলা হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago