কাজ ঝুলিয়ে রাখা ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: তাজুল ইসলাম

যেসব ঠিকাদার বছরের পর বছর কাজ ঝুলিয়ে রেখেছেন, কাজের মান খারাপ করেছেন তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

যেসব ঠিকাদার বছরের পর বছর কাজ ঝুলিয়ে রেখেছেন, কাজের মান খারাপ করেছেন তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরের রাজেন্দ্রপুর গজারিয়াপাড়ায় নির্মাণ দক্ষতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যারা কাজ শেষ না করে নতুন কাজ সম্পাদন করছে সেই ঠিকাদারদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে যারা সঠিকভাবে কাজ সম্পাদন করছে তাদের বর্ধিত কাজ দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এতে তারা উৎসাহিত এবং প্রশংসিতও হবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে যেসব ঠিকাদার কাজের গুণগত মান খারাপ করবেন তাদেরকেও কালো তালিকাভুক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের কিছু ব্যর্থতা ও দুর্বলতার কারণে অতীতে অনিয়ম করা অনেক ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

এটি কাটিয়ে ওঠার জন্য তিনি প্রকৌশলীসহ সবাইকে নিয়ে একযোগে কাজ করছেন বলেও জানান।

মন্ত্রী বলেন, টেকসই নির্মাণকাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত শ্রমিক ও প্রকৌশলী দরকার। শ্রমিকদের প্রাতিষ্ঠানিক কোন প্রশিক্ষণ থাকে না। সেজন্য গুণগত মাণ নিয়ন্ত্রণ এবং কাজের পরিমাণ বেশি করা তাদের পক্ষে অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ বিষয়টিকে চিহ্নিত করে গাজীপুরে প্রশিক্ষণ ইউনিট কেন্দ্র করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখানে সাধারণ লোকজনকে রাজমিস্ত্রি ও রড মিস্ত্রিসহ কনস্ট্রাকশন কাজের জন্য মিস্ত্রি হিসেবে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের সনদ দেওয়া হবে। এতে তারা চাকুরি ও কাজের সুযোগ পাবে, তাদের কাজের মানও ভাল হবে। তেমনি তারা বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগে পাবে।

এলজিইডির সারা বাংলাদেশে কম ব্যয়ে অধিক কাজ করার দায়িত্ব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কম খরচে ব্রিজ ও রাস্তা করা হয়েছে। একসময়ে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ ছিল সেকারণে এটি করা হলেও আমি মন্ত্রী হওয়ার পরে এ বিষয়টি চিহ্নিত করেছি যে টেকসই রাস্তা করার জন্য এখন আমরা ইস্টিমেট ও ডিজাইনগুলোর পরিবর্তন করেছি। এসব পরিবর্তন করে এখন থেকে গুণগতমান সম্পন্ন কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া আছে।

মন্ত্রী গাজীপুর মহানগর এলাকায় একসাথে অনেকগুলো রাস্তার নির্মাণ কাজ চলতে দেখে সন্তোষ জানান। মন্ত্রী গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সড়ক, ড্রেন নির্মাণসহ নানা উন্নয়ণকাজ ঘুরে দেখেন।

মন্ত্রীর কর্মসূচিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মেজবাহ উদ্দিন, গাজীপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল বাকেরসহ সংশ্লিষ্টরা ছিলেন।

Comments

The Daily Star  | English

97pc work of HSIA third terminal complete: minister

Only three percent of work, which includes calibration and testing of various systems is yet to be completed

1h ago