টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলাটা রোমাঞ্চকর: উইলিয়ামসন

নিউজিল্যান্ড সবার আগে পৌঁছে গেছে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।
williamson kane
ছবি: টুইটার

করোনাভাইরাসের শঙ্কায় দক্ষিণ আফ্রিকা সফর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। এতে নিউজিল্যান্ড পৌঁছে গেছে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার শিরোপার মঞ্চে জায়গা করে নেওয়ায় ভীষণ রোমাঞ্চিত কিউই অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন।

আগামী মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিনটি টেস্ট খেলার সূচি ছিল অজিদের। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারির প্রাদুর্ভাবে তা আর হচ্ছে না নির্ধারিত সময়ে। ফলে মোট পয়েন্টের শতকরা ৭০ ভাগ নিয়ে নিউজিল্যান্ড পেয়ে গেছে ফাইনালের টিকিট। এমনিতে তারা রয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে।

ইউটিউব চ্যানেল ‘স্পোর্টস টিউব’কে আইসিসি টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে থাকা উইলিয়ামসন মঙ্গলবার বলেছেন, ‘প্রথম (বিশ্ব) টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলতে পারাটা সত্যিই রোমাঞ্চকর। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে প্রাসঙ্গিকতা যুক্ত হয়েছে এবং এটি সত্যিই আকর্ষণীয় পদক্ষেপ।’

সময়ের অন্যতম সেরা এই তারকা যোগ করেছেন, ‘আমি মনে করি, গত কয়েক মাসে এটা আরও বেশি করে দেখতে পেয়েছি। ফাইনালে ওঠার জন্য দলগুলো তাদের খেলোয়াড়দের সবরকম সুযোগ কাজে লাগাতে উদ্বুদ্ধ করেছে। এটা সত্যিই একটা আকর্ষণীয় ব্যাপার।’

গত মাসে অজিদের মাটিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতা ভারত রয়েছে তালিকার শীর্ষে। তাদের অর্জন ৭১.৭০ শতাংশ পয়েন্ট। মোট পয়েন্টের শতকরা ৬৯.২০ ভাগ পেয়ে অস্ট্রেলিয়া তিনে এবং ৬৮.৭০ ভাগ পেয়ে ইংল্যান্ড আছে চারে। এই তিনটি দলের সামনে সুযোগ রয়েছে ফাইনালে উইলিয়ামসনদের প্রতিপক্ষ হওয়ার।

অস্ট্রেলিয়ার ফাইনালে খেলা-না খেলা এখন নির্ভর করছে অন্যদের ওপর। মূলত, তাদেরকে তাকিয়ে থাকতে হবে ভারতের মাটিতে ইংল্যান্ডের আসন্ন চার টেস্টের সিরিজের দিকে। আইসিসি জানিয়েছে, সিরিজটি ড্র হলে কিংবা ইংল্যান্ড ১-০, ২-০ বা ২-১ ব্যবধানে জিতলে কিংবা ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতলেই অস্ট্রেলিয়ার কপাল খুলবে।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০১৯-২১ চক্রের ফাইনাল মাঠে গড়াবে আগামী জুন মাসে। ম্যাচের ভেন্যু ক্রিকেটের তীর্থস্থান খ্যাত ইংল্যান্ডের লর্ডস স্টেডিয়াম।

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

7h ago