শীর্ষ খবর

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে বাবুডাইং রক্ষার দাবি

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে বাবুডাইং রক্ষার দাবিতে আজ শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুডাইংয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সেভ দ্য নেচার আজ বিকেল ৩টায় চাপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধনের আয়োজন করে। ছবি: স্টার

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে বাবুডাইং রক্ষার দাবিতে আজ শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুডাইংয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অবিলম্বে বাবুডাইংকে বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য নেচার আজ বিকেল ৩টায় এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মধ্যে ‘বাবুডাইং’ ভূ-প্রকৃতিগত কারণে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের এলাকা। এখানে রয়েছে ছোট-বড় কিছু টিলা, একটি খাড়ি (প্রাকৃতিক জলাধার) ও পুকুর। এলাকাটি জীববৈচিত্র্যের ভরে আছে। কিন্তু, দুঃখের বিষয় বাবুডাইং-এর পূর্বদিকের ডাইংগুলোতে কয়েক বছর আগে গাছ থাকলেও এখন কোনো গাছ নেই। একশ্রেণির ভূমিদস্যু বাবুডাইং-এর গাছ কেটে জমি দখল করছে। এ কারণে ডাইং দখল হয়ে বাবুডাইং সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। তারা পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করছে। বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হওয়ার কারণে কমছে পাখি-প্রাণী ও উদ্ভিদ।

তারা দাবি করেন, সময় এসেছে বাবুডাইং রক্ষার। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন এই স্থানকে রক্ষা করা হোক। অবিলম্বে বাবুডাইংকে বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করে এলাকাটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

উল্লেখ্য, বাবুডাইং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট কিছু টিলাভূমির সংমিশ্রণ। এই টিলাভূমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা ও রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় ছড়িয়ে আছে। মূলত, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার বাবুডাইং মৌজার নামে এলাকাটি বাবুডাইং নামে পরিচিত। ছোট ছোট টিলাভূমি ও প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা বিভিন্ন ধরণের গাছপালার সমন্বয়ে এ এলাকাটি নৈসর্গিক সৌন্দর্য ধারণ করেছে। এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও টিলা দেখতে দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- সেভ দ্য নেচারের প্রধান সমন্বয়ক রবিউল হাসান, সমন্বয়ক ফয়সাল মাহমুদ, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সদস্য হাসান আল সাদী পলাশ প্রমুখ।

Comments

The Daily Star  | English
Pilkhana BDR Mutiny

Carnage At Pilkhana BDR HQ: 15 years on, justice yet to be meted out

Fifteen years have passed since the BDR mutiny that killed 74 people, including 57 army officials, but the victim families are yet to get final justice and the accused their due punishment, as both the cases filed over the incident have not yet been disposed of due to lengthy legal processes and courts being overburdened with cases.

11h ago