বকেয়া বেতনের দাবিতে মানিকগঞ্জ হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারীদের মানববন্ধন

ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগকৃত কর্মচারীরা। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে তারা এই মানববন্ধন করেন।
হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারীদের মানববন্ধন। ছবি: স্টার

ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগকৃত কর্মচারীরা। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে তারা এই মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনকালে বক্তব্য দেন ফার্মাসিস্ট মো. রিপন মিয়া, টিকিট কাউন্টার রবিন সরকার, ওয়ার্ডবয় মো. আরিফুল, আয়া শাবানা আক্তার ও ইসিজি অপারেটর মুক্তার আক্তার।

শাবানা আক্তার বলেন, ‘আমরা করোনা সংকটকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি। কিন্তু, গত ছয় মাস ধরে বেতন পাচ্ছি না। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কোনো ফল পাইনি। এ বিষয়ে আমরা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

ফার্মাসিস্ট মো. রিপন মিয়া বলেন, ‘যারা স্থায়ী কর্মচারী, তারা মাস শেষে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন। একই পদে চাকরি করে আমাদের মাস শেষে বেতনের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। আমাদের চাকরি স্থায়ী করে এই বৈষম্য দূর করার দাবি জানাচ্ছি।’

অন্যান্য বক্তারাও একইভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধসহ চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়েছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ২০১৭ সালে কর্মচারী নিয়োগের কাজটি পায়। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে কাজটি সম্প্রসারণ হলেও তা এখনো মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন হয়নি। সে কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল না পাওয়ায় কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে, অনুমোদনের জন্য হাসপাতালের পক্ষ থেকে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ নিলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।’

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী এবিএস খান স্বপনকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ধরেননি।

Comments

The Daily Star  | English

Abu sayed’s death in police firing: Cops’ FIR runs counter to known facts

Video footage shows police shooting at Begum Rokeya University student Abu Sayed, who posed no physical threat to the law enforcers, during the quota reform protest near the campus on July 16. He died soon afterwards.

9h ago