বিশ্বকাপ জয়ের আশায় ইতালির কোচ মানচিনি

সবশেষ টানা ২৫ ম্যাচে হারের মুখ দেখেনি তারা।
italy lithuania
ছবি: টুইটার

চার বিশ্বকাপ শিরোপার সবশেষটি ইতালি জিতেছিল মার্সেলো লিপ্পির অধীনে, ২০০৬ সালে। এরপর থেকে ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে তাদের গল্পটা কেবলই বেদনা আর হতাশার! ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে তারা বিদায় নেয় প্রথম রাউন্ড থেকে। আর সবশেষ ২০১৮ আসরে তো আজ্জুরিরা অংশই নিতে পারেনি! তবে ওই ক্ষতে প্রলেপ দিয়ে অপ্রতিরোধ্য ছন্দে এগিয়ে চলেছে ইতালি। সবশেষ টানা ২৫ ম্যাচে হারের মুখ দেখেনি তারা।

২০১৮ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া এই অপরাজেয় যাত্রায় ইতালিয়ানরা পাঁচটি ড্রয়ের পাশাপাশি জিতেছে ২০ ম্যাচ। যার শেষটি এসেছে বুধবার রাতে, লিথুয়ানিয়ার মাঠে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে দাপট দেখিয়ে স্বাগতিকদের ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান মজবুত করার পর দলটির কোচ রবার্তো মানচিনি জানান বিশ্বকাপ জয়ের ইচ্ছার কথা।

আগামী বছর বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে কাতারে। দেশটির আবহাওয়ার ভিন্নতার কারণে নভেম্বর-ডিসেম্বরে মাঠে গড়াবে আসরটি। লিথুয়ানিয়াকে অনায়াসে হারানোর পর ফুটবলের মহাযজ্ঞ সামনে রেখে সাবেক ফুটবলার মানচিনি গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমি লিপ্পির সমকক্ষ হওয়ার আশা করছি।’

mancini
ছবি: টুইটার

আরেকটি দুরন্ত পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার পথে লিথুয়ানিয়ার গোলমুখে ২৯টি শট নেয় ইতালি! যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ১১টি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সফরকারীদের এগিয়ে নেন স্তেফানো সেনসি। যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান চিরো ইম্মোবিলে। লিথুয়ানিয়ার গোলরক্ষক টমাস সভেডকাওস্কাস অসাধারণ দৃঢ়তায় সেভ করেন নয়টি। নইলে ইতালির জয়ের ব্যবধান হতে পারত বিশাল।

৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইতালি। শিষ্যদের নিয়ে ৫৬ বছর বয়সী মানচিনির মূল্যায়ন, ‘আমি খুব খুশি। আমরা গ্রুপে সবার উপরে আছি। আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

উল্লেখ্য, ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থানে থাকা ইতালি সবশেষ ম্যাচটি হেরেছিল প্রায় আড়াই বছর আগে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের বিপক্ষে পর্তুগাল নিজেদের মাঠে জিতেছিল ১-০ গোলে।

Comments

The Daily Star  | English
Rapidly falling groundwater level raises fear for freshwater crisis, land subsidence; geoscientists decry lack of scientific governance of water

Dhaka stares down the barrel of water

Once widely abundant, the freshwater for Dhaka dwellers continues to deplete at a dramatic rate and may disappear far below the ground.

11h ago