২ ভাইকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন, কারাগারে ১

মধু সরবরাহকারী দুই ভাইকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ব্যক্তিকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
arrest logo
প্রতীকী ছবি। স্টার ডিজিটাল গ্রাফিক্স

মধু সরবরাহকারী দুই ভাইকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ব্যক্তিকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আজ শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত জিসান হোসেন (৩৫) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর গ্রামের কৃষি পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভিলেজ ফ্রেশ ফুড অ্যান্ড এগ্রো কোম্পানির মালিক।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত জিসান তার প্রতিষ্ঠানে ভেজাল মধু সরবরাহের অভিযোগ এনে ঈশ্বরদীর দাদপুর গ্রামের আলম সরদারের দুই ছেলে আল আমিন হোসেন (২৪) ও আলাল সরদারকে (১৮) একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ওই দুই ভাই গত বৃহস্পতিবার সরবরাহকৃত মধুর টাকা নিতে জিসানের কারখানায় গেলে ভেজাল মধু সরবরাহের অভিযোগ এনে তাদের টাকা না দিয়ে নুরজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয় এবং তাদের মাথার চুল ছেঁটে ফেলা হয়।

এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

তিনি জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে গ্রেপ্তারকৃত জিসানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

জিসান পুলিশকে জানান, ওই দুই ভাই তার কোম্পানিতে প্রায় ৩০০ কেজি মধু সরবরাহ করেন। ভেজালের কারণে প্রায় ১২০ কেজি মধু এখনো অবিক্রীত পড়ে আছে। চুক্তির পরও ভালো মানের মধু সরবরাহ না করে ভেজাল মধু সরবরাহ করায় তার ব্যবসার সুনাম নষ্ট হতে থাকে। এ কারণে তাদের শাসানো হয়।

Comments

The Daily Star  | English