ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব: হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা ইয়াকুব ওসমানী ফেনী থেকে গ্রেপ্তার

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী প্রচার সম্পাদক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব ওসমানীকে (৪৪) ফেনী জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব ওসমানী। ছবি: সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী প্রচার সম্পাদক ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মুহাম্মদ ইয়াকুব ওসমানীকে (৪৪) ফেনী জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর ও সহিংসতার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

সরকার উৎখাতের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব চালানো হয়েছিল বলে ইয়াকুব ওসমানী পুলিশকে জানায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইয়াকুব ওসমানীসহ আরও ১০ জনকে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৩৫ জনে। তাণ্ডবের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় চারটি, সরাইল থানায় দুটি এবং আখাউড়া রেলওয়ে থানায় একটিসহ মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩৯ হাজার জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। এতে শতাধিক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন
৩ দিনে ঝরে গেল ১৩ প্রাণ, হেফাজতের দাবি ১৭

 

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles running amok

The bus involved in yesterday’s accident that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not caved in to transport associations’ demand for allowing over 20 years old buses on roads.

3h ago