ভারতে ২-১৮ বছর বয়সীদের ওপর কোভ্যাক্সিন ট্রায়ালের অনুমোদন

ভারতে দুই থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ওপর কোভ্যাক্সিন টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ছবি: এএফপি

ভারতে দুই থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ওপর কোভ্যাক্সিন টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ওপর ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানোর অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। এটিই ভারতে ব্যবহৃত প্রথম করোনার টিকা যেটা শিশুদের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে।

কোভ্যাক্সিন টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের এই ট্রায়ালটি ‘৫২৫ জন স্বাস্থ্যবান স্বেচ্ছাসেবকের’ ওপর চালানো হবে বলে জানিয়েছে ভারত বায়োটেক।

ভারত সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শের ভিত্তিতে ডিসিজিআই এই অনুমোদন দিয়েছে। ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবকদের মোট দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ দেওয়া পর ২৮তম দিনে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

দুই থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ওপর নিজেদের তৈরি টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে ভারত বায়োটেক। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে ভ্যাকসিন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটি ট্রায়াল চালানোর অনুমোদন দিতে পরামর্শ দেয়। এরপর ডিসিজিআই এই অনুমোদন দিয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, তবে, বিশেষজ্ঞ কমিটি শর্ত দিয়েছে, তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার আগে দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়ালের অন্তর্বর্তীকালীন ফলাফল জমা দিতে হবে।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে থাকা অবস্থায় গত বছর ভারতে কোভ্যাক্সিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়।

গত মাসে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ভারত বায়োটেক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ জানায়, কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা ৭৮ শতাংশ এবং ভ্যাকসিনটি করোনাভাইরাসের বেশিরভাগ ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই কাজ করতে সক্ষম। একইসঙ্গে গুরুতর উপসর্গ ও হাসপাতালে যাওয়ার মতো অবস্থা ঠেকাতে এই ভ্যাকসিনটি শতভাগ কার্যকর বলেও তারা জানায়।

আরও পড়ুন:

ভারতে কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন অনুমোদন

Comments

The Daily Star  | English
Rapidly falling groundwater level raises fear for freshwater crisis, land subsidence; geoscientists decry lack of scientific governance of water

Dhaka stares down the barrel of water

Once widely abundant, the freshwater for Dhaka dwellers continues to deplete at a dramatic rate and may disappear far below the ground.

11h ago