ইসরায়েলের কাছে ৭৩ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে বাইডেনের অনুমোদন

ইসরায়েলের কাছে ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন।
ইসরায়েল থেকে গাজায় ইসরায়েলি আর্টিলারি ইউনিটের সদস্যদের গোলা বর্ষণ। ১৭ মে, ২০১৭। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের কাছে ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন।

সোমবার কয়েকটি কংগ্রেসনাল সূত্র এ অস্ত্র চুক্তির বিষয়টি রয়টার্সকে নিশ্চিত করে।

তিনটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, বিক্রি তালিকায় থাকা অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে জয়েন্ট ডিরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন, যা তৈরি করেছে বোয়িং কোম্পানি।

গত ৫ মে এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বিদেশের কাছে অস্ত্র বিক্রির চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে নিয়মিত পর্যালোচনার অংশ হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কংগ্রেসকে তা জানানো হয়েছিল। আইন অনুযায়ী, ১৫ দিনের মধ্যে কংগ্রেসে কেউ এই বিষয়ে আপত্তি জানাতে পারবেন।

তবে রয়টার্স বলছে, ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে চলমান সহিংসতা সত্ত্বেও এ চুক্তিতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আপত্তি করার সম্ভাবনা নেই।

কংগ্রেশনাল সহযোগীরা জানান, কংগ্রেসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান নেতাদের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তির কথা জানা যায়নি।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, এ ধরনের চুক্তির বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা বা বিস্তারিত নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আইনি বাধা আছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমান সহিংসতা সম্পর্কে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। একটি টেকসই শান্তির লক্ষ্যে কাজ করছি।’

অবরুদ্ধ গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের চলমান হামলার পর অস্ত্রবিরতির পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে বাইডেন জানান, সহিংসতা থামাতে মিশর ও অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, সহিংসতা থামানোর আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি বিবৃতি আবারও আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

Comments

The Daily Star  | English

15pc VAT on Metro Rail: Quader requests PM to reconsider NBR’s decision

Dhaka is one of the most unliveable cities in the world, which does not go hand-in-hand with the progress made by the country, says the road transport and bridges minister

12m ago