আইপিএলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে কেঁদে ফেললেন সেইফার্ট

'আপনি অনেক খারাপ কিছুর কথাই শুনেছেন, আমি ভেবেছিলাম আমার ক্ষেত্রে সেটাই হতে যাচ্ছে।' - ঠিক এভাবেই বললেন টিম সেইফার্ট। সবচেয়ে খারাপ আর কি হতে পারে? মৃত্যু? সরাসরি না বললেও এ কিউই তারকার ইঙ্গিত কি তাই বোঝায় না?
ছবি: সংগৃহীত

'আপনি অনেক খারাপ কিছুর কথাই শুনেছেন, আমি ভেবেছিলাম আমার ক্ষেত্রে সেটাই হতে যাচ্ছে।' - ঠিক এভাবেই বললেন টিম সেইফার্ট। সবচেয়ে খারাপ আর কি হতে পারে? মৃত্যু? সরাসরি না বললেও এ কিউই তারকার ইঙ্গিত কি তাই বোঝায় না?

গত সপ্তাহে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ আসার পর দেশের বিমান ধরেছেন সেইফার্ট। তবে বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে আছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। সেখানেই অকল্যান্ডের এক হোটেলে কোয়ারেন্টিন থেকে ভিডিও কলে স্থানীয় সাংবাদিকদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার দুঃস্মৃতি বর্ণনা করেন তিনি।

জাতীয় দলে যাদের সঙ্গে এক তাঁবুর নিচে খেলেন তারা সবাই যখন নিজ দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় বাধ্য হয়ে ভারতে আইসোলেশনে যেতে হয় সেইফার্টকে। স্বাভাবিকভাবেই মন ভেঙে যায় তার। সে সময়ের কথা মনে করে এক পর্যায়ে কেঁদেই ফেলেন এ কিউই তারকা।

পুরো ভারতে যখন করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে তখনও চলছিল এবারের আইপিএল। পরে অবশ্য স্থগিত করতে হয় এ আসর। কিন্তু ততোদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়। একের পর এক খেলোয়াড় ও স্টাফদের আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ মিলে। সে তালিকায় ছিল সেইফার্টের নামও।

দেশের ফেরার আগে সকল বিদেশি খেলোয়াড়দের পিসিআর টেস্ট করানো হয়। সেখানে আটকে যান সেইফার্ট। তার মধ্যে 'পরিমিত লক্ষণের' দেখা পাওয়ায় পাঠানো হয় আইসোলেশনে। ঠিক ওই সময়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কেঁদে বলেন, 'যেন হৃদয় সরাসরি তলিয়ে গেল।'

এরপর নিজেকে সামলে বলেন, 'পুরো বিশ্ব যেন সামান্য সময়ের জন্য হলেও থেমে যায়। আমি ঠিক ভাবতে পারছিলাম না এর পরে কী হবে এবং এটা ছিল খুবই ভীতিজনক অংশ। সব জায়গায় সংবাদ ছিল ভারতের অক্সিজেনের অভাব। আপনি ভাবতে পারবেন না যে, এমনটা আপনার সঙ্গেও হবে না। কোভিড জিনিসটা কি তা সম্পূর্ণ অজানা ছিল। এমন সময়ে আপনার কি প্রতিক্রিয়া হবে?'

উল্লেখ্য, স্থগিত হওয়া আইপিএলে এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন সেইফার্ট। তাদের দলেই দুই ক্রিকেটার বরুণ চক্রবর্তী ও সন্দীপ ওয়ারিয়া সবার প্রথমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর একে মিলতে থাকে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের খেলোয়াড়দের আক্রান্ত হওয়ার খবর। পরে স্থগিত করা হয় এ আসর।

Comments

The Daily Star  | English

Inadequate Fire Safety Measures: 3 out of 4 city markets risky

Three in four markets and shopping arcades in Dhaka city lack proper fire safety measures, according to a Fire Service and Civil Defence inspection report.

4h ago