মুক্তিযুদ্ধ

২৩ মে ১৯৭১: নড়াইলের ইতনায় গণহত্যা

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ২৩ মে ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন ভারতের রাজনীতিক জয়প্রকাশ নারায়ণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্বসফর শুরু করেন। এদিন রংপুর ক্যান্টনমেন্টের পাশে নিসবেতগঞ্জ হাটে ৫০-৬০ জন বাঙালিকে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদারেরা। ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব চৌধুরী রহমত এলাহী নতুন আদমশুমারির ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান। এদিন করাচিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বলেন, "দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে।" এদিন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল টিক্কা খান যশোর ও খুলনা সফরে বলেন, "পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যেভাবে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এবং যেভাবে দুর্বৃত্ত দমন করছে তা প্রশংসনীয়।"

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ২৩ মে ঘটনাবহুল একটি দিন। এদিন ভারতের রাজনীতিক জয়প্রকাশ নারায়ণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার  পক্ষে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্বসফর শুরু করেন। এদিন রংপুর ক্যান্টনমেন্টের পাশে নিসবেতগঞ্জ হাটে ৫০-৬০ জন বাঙালিকে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদারেরা। ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব চৌধুরী রহমত এলাহী নতুন আদমশুমারির ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান। এদিন করাচিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বলেন, "দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে।" এদিন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল টিক্কা খান যশোর ও খুলনা সফরে বলেন, "পাকিস্তান সেনাবাহিনী  দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যেভাবে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এবং যেভাবে দুর্বৃত্ত দমন করছে তা প্রশংসনীয়।"

এদিন ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি দিল্লিতে এক  বিবৃতিতে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয়ের বিষয়ে ভারতের সমস্যার কথা খোলাসা করেন। এদিন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে দিল্লিতে সর্বভারতীয় কয়েকটি ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কমিটি অব ইন্ডিয়া ফর সলিডারিটি উইথ বাংলাদেশ নামে একটি ট্রেড ইউনিয়ন কমিটি গঠিত হয়। এদিন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি সীমান্তে শরণার্থীদের শিবির পরিদর্শন করেন। এসময়ে তিনি পাকিস্তানি সামরিক প্রশাসকদের নেতৃত্বে গণহত্যার প্রসঙ্গও তুলে আনেন। এদিন লাতুর শরীফবাড়ি মসজিদে নামাজরত ১৭ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা করে হানাদারেরা। এদিন পাকিস্তানি হানাদারেরা নড়াইলের ইতনায় ৩৯ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করে। দেশজুড়ে পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে একাধিক যুদ্ধ হয় মুক্তিবাহিনীর।

ঢাকায় ২৩ মে

২৩ মে বিকেলেরেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্র থেকে ৫ মে বরিশালে আটক সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট নাসিরকে দিয়ে বক্তব্য প্রচার করায় পাকিস্তানি সামরিক সরকার।  এসময় তাকে বলতে বাধ্য করানো হয় এই বলে যে, "আওয়ামী লীগের কথিত স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সাহায্য করছে। আওয়ামী লীগের সংগ্রাম পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র।"

২৩ মে জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব চৌধুরী রহমত এলাহী নয়া আদমশুমারির ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

ভারতে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এদিন

২৩ মে ভারতের রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ নারায়ণ বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ব সফর শুরু করেন। এদিন তিনি এক বিবৃতিতে বিশ্বের সকল নাগরিক ও সরকারের প্রতি বাংলাদেশ সরকারকে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানান।

২৩ মে দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি বলেন, “পূর্ব বাংলা থেকে বিপুল পরিমাণে শরণার্থী ভারতে ঢুকছে। ভারত এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। শরণার্থীদের এই চাপ সামলাতে ভারতকে বেগ পেতে হচ্ছে। কয়েকটি দেশ কিছুটা সাহায্য করছে কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় কিছুই না। বিশ্বের সকল দেশের প্রতি আমি পাকিস্তানের উপর চাপ প্রয়োগ করার আহ্বান জানাই। বিশ্বের সকল সামর্থ্যবান রাষ্ট্রের উচিৎ শরণার্থীদের সাহায্য করা।”

২৩ মে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম নদীয়া জেলার চাকুলিয়া ও চব্বিশ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তের শরণার্থীশিবির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পাকিস্তানের সামরিক প্রশাসন ও শাসকেরা পূর্ব বাংলার মানুষদের ওপর যে অত্যাচার ও নিপীড়ন করছে তা ভয়ংকর। বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের উচিৎ এই গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে পাকিস্তানের উপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা।

একই দিন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রামের সঙ্গে শরণার্থী সমস্যা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জগজীবন রাম বলেন, পূর্ব বাংলা থেকে এখনো বহু শরণার্থী আসছে। মানবিক কারণে ভারতের পক্ষে তা বন্ধ করাও সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের বিবৃতি

২৩ মে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের করাচিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, "দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে বিফলে যেতে দেয়া হবে না। স্বাভাবিক অবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবার সাথে সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। ইয়াহিয়া বলেন, আমি বিশৃঙ্খলার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাই না। যদিও আমার লক্ষ্য একটাই, আর তা হচ্ছে ক্ষমতা হস্তান্তর। আমি বিশ্বাস করি, জনগণের প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা উচিত।

ইয়াহিয়া খান বলেন, সম্প্রতি পূর্ব পাকিস্তানে যা ঘটছে তা একটি বিরাট রাজনৈতিক অভ্যুত্থান। এ অভ্যুত্থান দেশের পূর্বাংশে অহেতুক দুর্দশা সৃষ্টি করেছে। সুতরাং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় হাত দেয়ার পূর্বে আমার প্রধান কর্তব্য হলো পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। আমি বিশ্বাস করি এরা নিরাপরাধ। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সশস্ত্র বাহিনী কার্যকরভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের অনেক জনসাধারণ সীমান্তের ওপারে পালিয়ে গেছে এজন্য আমি খুবই দুঃখিত। যেসব উদ্বাস্তু পাকিস্তানের অধিবাসী তাদের স্বগৃহে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হবে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া বলেন, ৬ দফা পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পাকিস্তানের আদর্শের বিরোধী। প্রদেশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের নামকরণ ‘বাংলাদেশ’ করার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের এ নয়া নামকরণের অন্তরালে বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল। ২৪ দিন ধরে শেখ মুজিবুর রহমান একটি পাল্টা সরকার পরিচালনা করেছেন।

ইয়াহিয়া খান বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের ঘটনাবলিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুঃখিত হয়েছেন এবং তিনি আমাদের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

২৩ মে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক খবরে জানা যায় খান আবদুল কাইয়ুম খান, ফজলুল কাদের চৌধুরী ও মিয়া মুমতাজ দৌলতানার নেতৃত্বে মুসলিম লীগের মধ্যে ঐক্য স্থাপিত হয়েছে। তারা পূর্ব পাকিস্তানের বিষয়ে পৃথক বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।

দেশব্যাপী গণহত্যা, প্রতিরোধ যুদ্ধ ও বিবৃতি

ইতনা গণহত্যা

২৩ মে পাকিস্তানি হানাদারেরা রাজাকারদের সহযোগিতায় ফজরের আজানের পর নড়াইলের ইতনায় নির্মম গণহত্যা চালায়। এই পৈশাচিক গণহত্যায় শহীদ হন ৩৯ জন নিরীহ মানুষ।

এর আগে ২২ মে দুপুরে চরভাট পাড়া গ্রামে পাকিস্তানি হানাদারেরা প্রবেশ করে নিরীহ মানুষজনের ওপর ব্যাপক নির্যাতন শুরু করে। এ সময়ে মুক্তিবাহিনী গ্রামে এসে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শুরু হয় যুদ্ধ। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী যুদ্ধে চার জন পাকিস্তানি হানাদার নিহত হয় এবং ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। একপর্যায়ে পাকিস্তানি হানাদারেরা পিছু হটার সময় চরভাট পাড়া গ্রামের অনিল কাপালি নামে এক গ্রামবাসী এক পাকিস্তানি হানাদার সেনার কাছ থেকে রাইফেল কেড়ে নিয়ে পাশের মধুমতি নদীতে ফেলে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপমানিত হয়ে  হিংস্র রূপ ধারণ করে। তারা বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। তখন প্রাণের ভয়ে চরভাট পাড়ার মানুষজন জানিয়ে দেয়, অনিল কাপালির বাড়ি মধুমতি নদীর পূর্ব পাড়ের ইতনা গ্রামে। অনিল কাপালিকে ধরার জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ২৩ মে ভোরে ফজরের আজানের সময় ৫টি গানবোটে করে  ইতনা গ্রামে আসে। এসময় ইতনার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত বাজার থেকে পশ্চিম সীমানায় অবস্থিত পালবাড়ি পর্যন্ত পুরো গ্রামটি ঘিরে ফেলে। গ্রামটি নদী-সংলগ্ন পূর্ব-পশ্চিমে লম্বালম্বি হওয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিশাল দলটি পাঁচ ভাগে বিভক্ত হয়ে গ্রামে প্রবেশ করে। গ্রামবাসীদের প্রায় সবাই তখন ঘুমাচ্ছিলেন, কেউ কেউ ফজরের নামাজ পড়ার জন্য উঠেছেন। ফলে এই অতর্কিত আক্রমণের জন্য কেউ প্রস্তুত ছিলেন না। এসময় কুরআন তেলাওয়াতরত আবদুর রাজ্জাক মোল্লাকে সর্বপ্রথম গুলি করে হত্যা করা হয়। পবিত্র কুরআন শরিফের ওপর তার নিথর মাথা এলিয়ে পড়ে। এরপর একে একে ৩৯ জনকে নির্মম কায়দায় হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদারেরা।

লাতুতে নামাজরত মুসল্লিদের উপর গণহত্যা

২৩ মে সিলেটের লাতুতে অবস্থানরত পাকিস্তানি হানাদারদের উপর ইপিআরের মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত হামলা করে। এসময় প্রাণের ভয়ে বহু মানুষ স্থানীয় শরিফবাড়ি মসজিদে আশ্রয় নিলে হানাদাররা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের মধ্যে ১৭ জনকে টেনেহিঁচড়ে বের করে পুকুর পাড়ে নিয়ে সারিবদ্ধ করে গুলি করে। এসময় কেবল আবদুর রাজ্জাক খান ও নূরুল ইসলাম শরিফ ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান।

২৩ মে রংপুর ক্যান্টনমেন্টের পিছনে নিসবেতগঞ্জ হাটে আইনজীবী পূর্ণচন্দ্র সরকার, শংকর বনিক, শৈলেন দত্তসহ ৫০/৬০ জন বাঙালিকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদারেরা।

২৩ মে পিরোজপুরে এক জনসভায় বক্তৃতাকালে কৃষক শ্রমিক পার্টি কেএসপির সভাপতি এএসএম সোলায়মান মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

২৩ মে রংপুরে প্রাদেশিক সরকারের সদস্য মৌলভী আবদুল হোসেন মিয়া এক সভায় তার বক্তব্যে বলেন, "দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ভারতের দালালদের হটিয়ে দিচ্ছে, পাকিস্তান ভাঙার দিবাস্বপ্ন অচিরেই ধূলিসাৎ হবে।" তিনি একই সঙ্গে মানুষকে আওয়ামী লীগের মিথ্যাচার থেকে দূরে থাকতে আহ্বান জানান।

২৩ মে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল টিক্কা খান যশোর ও খুলনা সফর করেন। এ সময় তিনি বলেন, "পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যেভাবে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে এবং যেভাবে দুর্বৃত্ত দমন করছে তা প্রশংসনীয়। অথচ ভারত সরকার বিশ্বজুড়ে পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যাচার করছে।  দেশবাসীর উচিৎ ভারতীয় চর মুক্তিবাহিনীকে দমন করতে সেনাবাহিনী ও দেশপ্রেমিক রাজাকারদের সাহায্য করা।"

তথ্যসূত্র:

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র- সপ্তম, অষ্টম, নবম, দ্বাদশ খণ্ড

দৈনিক পাকিস্তান, ২৪ মে ১৯৭১

দৈনিক অমৃতবাজার পত্রিকা, ২৪ মে ১৯৭১ 

আহমাদ ইশতিয়াক[email protected]

আরও পড়ুন-

২১ মে ১৯৭১: বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চেয়ে প্রবাসী সরকারের বিবৃতি

Comments

The Daily Star  | English

77 companies to be honoured with national export trophies

Rifat Garments Ltd will be given Bangabandhu Sheikh Mujib Export Trophy

8m ago