যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আবারো সংঘর্ষ, আহত ৩ কিশোর

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দী কিশোরদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন কিশোর আহত হয়েছে। তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকালে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ডাইনিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দী কিশোরদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন কিশোর আহত হয়েছে। তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকালে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ডাইনিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো, বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চরহরিনা গ্রামের লিমন ইসলাম (১৬), ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের ইমারত শেখ (১৫) ও পিরোজপুর সদর উপজেলার মৌরিচাল গ্রামের হোসেন শেখ (১৭)।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, লিমন, হোসেন ও ইমারত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ডাইনিং হলে কাজ করে। বন্দীদের একটি গ্রুপের নেতৃত্বদানকারী পাভেল তাদের তিন জনকে ডাইনিং থেকে সরিয়ে সেখানে অন্য তিন জনকে নিযুক্ত করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এসময় পাভেল গ্রুপের হামলায় লিমন, হোসেন ও ইমারত গুরুতর আহত হয়।

পরে, শিশু উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা সেখানে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে।

ওসি জানান, পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে এ ঘটনায় মামলা করতে বলা হয়েছে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. তারেক শামস দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আহত তিন জনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লেগেছে। তাদের ভর্তি করে সার্জারি ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক জাকির হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এর আগে, গত বছরের আগস্ট মাসে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দী কিশোরদের সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়। কেন্দ্রের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে এ সংঘর্ষ হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

যশোরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে মারামারিতে ৩ কিশোর নিহত

Comments

The Daily Star  | English
62% young women not in employment, education

62% young women not in employment, education

Three out of five young women in Bangladesh were considered NEETs (not in employment, education, or training) in 2022, a waste of the workforce in a country looking to thrive riding on the demographic dividend, official figures showed.

10h ago