করোনাভাইরাস
কোভিড-১৯

সাতক্ষীরায় ১০ দিন ধরে শনাক্তের হার ৫০ শতাংশের ওপরে

সাতক্ষীরায় চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও করোনা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশের ওপরে আছে। গত ১০ দিনে সীমান্তবর্তী এ জেলায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারের গড় ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ।
সাতক্ষীরার আমতলা এলাকায় রাস্তায় পুলিশের ব্যারিকেড। ছবি: স্টার

সাতক্ষীরায় চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও করোনা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশের ওপরে আছে। গত ১০ দিনে সীমান্তবর্তী এ জেলায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারের গড় ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগে সাতক্ষীরায় করোনা শনাক্তের হার ছিল ১৩ শতাংশের আশপাশে। ঈদের পরই এটা বেড়ে হয় ২১ শতাংশ। মে মাসের শেষ সপ্তাহে শনাক্তের হার বেড়ে ৪১ শতাংশ হয়। আর, ১ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত ১০ দিনে ১ হাজার ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। গড় শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৫০ দশমিক ৫২ শতাংশ। এই সময়ে মারা যাওয়া পাঁচ জনসহ করোনায় মোট মারা গেছেন ৪৯ জন।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৫৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

সাতক্ষীরা জেলায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ১৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত জানান, ১০০ শয্যার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল করোনা বিশেষায়িত হাসপাতালে পরিণত করার কাজ চলছে।

লকডাউন বাড়ল আরও সাত দিন

করোনা সংক্রমণের হার না কমায় সাতক্ষীরা জেলায় আরও এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার লকডাউন চলবে। গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল ডা. হুসাইন সাফায়াত, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ৫ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, ‘কিন্তু, মানুষ সচেতন না হওয়ায় করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বরং খারাপের দিকে যাচ্ছে। করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সব দিক থেকে বিবেচনা করে আগামী ১২-১৮ জুন পর্যন্ত সাত দিন লকডাউন বাড়ানো হয়েছে।’

মানুষকে লকডাউন মেনে চলতে বাধ্য করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Comments

The Daily Star  | English
Dhaka Airport Third Terminal: 3rd terminal to open partially in October

HSIA’s terminal-3 to open in Oct

The much anticipated third terminal of the Dhaka airport is likely to be fully ready for use in October, enhancing the passenger and cargo handling capacity.

6h ago